সাধারণ বিজ্ঞান · পাতা ৩
৪১. জীববিজ্ঞানে কী ধরনের তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কবায়োইনফরমেটিক্স
- খবায়োমেট্রিক্স
- গবায়োকেমিস্ট্রি
- ঘকোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: ক. বায়োইনফরমেটিক্স
প্রশ্নটি জীববিজ্ঞানে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের নাম জানতে চাইছে। জৈবিক তথ্য কম্পিউটার দিয়ে সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করার বিজ্ঞানকে বায়োইনফরমেটিক্স বলে।
ডিএনএ ও প্রোটিনের অনুক্রম বিশাল তথ্যের ভাণ্ডার, যা হাতে বিশ্লেষণ করা অসম্ভব। বায়োইনফরমেটিক্সে ডেটাবেস ও সফটওয়্যার দিয়ে জিনোমের অনুক্রম মেলানো, জিন খোঁজা, প্রোটিনের গঠন অনুমান ও নতুন ওষুধের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।
বাংলাদেশে পাটের জিনোম উন্মোচনেও বায়োইনফরমেটিক্সের বড় ভূমিকা ছিল। জীববিজ্ঞান, পরিসংখ্যান ও কম্পিউটার বিজ্ঞান মিলে এই শাখা গড়ে উঠেছে।
ফাঁদ হলো বায়োমেট্রিক্স, কারণ এটিও প্রযুক্তি ও জীব শব্দ বহন করে। কিন্তু বায়োমেট্রিক্স হলো আঙুলের ছাপ বা মুখের ছবি দিয়ে মানুষ শনাক্ত করা। বায়োকেমিস্ট্রি জীবদেহের রাসায়নিক বিক্রিয়া পড়ে, তথ্যপ্রযুক্তি নয়।
মনে রাখুন: ইনফরমেটিক্স শব্দেই উত্তর: তথ্যপ্রযুক্তি।
৪২. গমের মোজাইক ভাইরাস কীভাবে ছড়ায়? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কইদুঁরের মাধ্যমে
- খমাইটের মাধ্যমে
- গবাতাসের মাধ্যমে
- ঘপাখির মাধ্যমে
সঠিক উত্তর: খ. মাইটের মাধ্যমে
প্রশ্নটি গমের মোজাইক ভাইরাস রোগের বাহক জানতে চাইছে। গমের স্ট্রিক মোজাইক ভাইরাস ছড়ায় গমের কার্ল মাইট নামের অতি ক্ষুদ্র মাকড়ের মাধ্যমে।
উদ্ভিদ ভাইরাস নিজে চলতে পারে না, তাকে কোনো বাহক এক গাছ থেকে আরেক গাছে নিয়ে যায়। এই মাইট আক্রান্ত গাছের রস খাওয়ার সময় ভাইরাস নিজের দেহে নেয়, পরে সুস্থ গাছের রস খেতে গিয়ে ভাইরাস ঢুকিয়ে দেয়। আক্রান্ত পাতায় হলুদ-সবুজ ডোরাকাটা মোজাইক দাগ দেখা যায়।
মাইটগুলোর ডানা নেই, তারা বাতাসে উড়ে এক ক্ষেত থেকে আরেক ক্ষেতে যায়। কিন্তু বাতাস শুধু মাইটকে বহন করে; ভাইরাস ঢোকায় মাইটই, তাই বাহক মাইট।
এই কারণে বাতাস বিকল্পটি বড় ফাঁদ। ইঁদুর ও পাখি এই ভাইরাসের বাহক নয়।
মনে রাখুন: গমের মোজাইক মানে মাইট; বাতাস শুধু বাহককে বয়ে নেয়।
৪৩. এন্টিবডি তৈরি করে নিচের কোনটি? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কRed blood corpuscle
- খThrombocyte
- গB Lymphocyte
- ঘMonocyte
সঠিক উত্তর: গ. B Lymphocyte
প্রশ্নটি রক্তের কোন কোষ অ্যান্টিবডি তৈরি করে তা জানতে চাইছে। উত্তর বি লিম্ফোসাইট, যা এক ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা।
কোনো জীবাণু বা অ্যান্টিজেন দেহে ঢুকলে নির্দিষ্ট বি লিম্ফোসাইট তাকে চিনে নেয়। এরপর এটি বিভাজিত হয়ে প্লাজমা কোষে পরিণত হয়, আর প্লাজমা কোষ প্রচুর অ্যান্টিবডি নিঃসরণ করে। কিছু বি কোষ স্মৃতি কোষ হিসেবে থেকে যায়, তাই পরের বার দ্রুত প্রতিরোধ হয়; টিকা এই নীতিতেই কাজ করে।
লোহিত রক্তকণিকা অক্সিজেন বহন করে, অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট রক্ত জমাট বাঁধায়, আর মনোসাইট টিস্যুতে গিয়ে ম্যাক্রোফেজ হয়ে জীবাণু গিলে খায়।
ফাঁদ হলো মনোসাইট, কারণ এটিও প্রতিরক্ষায় কাজ করে। কিন্তু মনোসাইট জীবাণু ভক্ষণ করে, অ্যান্টিবডি তৈরি করে না।
মনে রাখুন: অ্যান্টিবডি মানে বি কোষ, আরও নির্দিষ্টভাবে প্লাজমা কোষ।
৪৪. অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড কোনটি? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কগ্লাইসিন (Glycine)
- খসেরিন (Serine)
- গসিস্টিন (Cistine)
- ঘভ্যালিন (Valine)
সঠিক উত্তর: ঘ. ভ্যালিন (Valine)
অ্যামাইনো এসিড হলো প্রোটিনের গঠন একক। এদের দুই ভাগ: যেগুলো দেহ নিজে তৈরি করতে পারে না, খাবার থেকে নিতে হয়, সেগুলো অত্যাবশ্যকীয়; আর যেগুলো দেহ নিজেই বানাতে পারে, সেগুলো অনত্যাবশ্যকীয়।
মানুষের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড ৯টি: ভ্যালিন, লিউসিন, আইসোলিউসিন, লাইসিন, মিথিওনিন, ফিনাইলঅ্যালানিন, থ্রিওনিন, ট্রিপটোফ্যান আর হিস্টিডিন। অপশনের মধ্যে শুধু ভ্যালিন এই তালিকায় আছে।
গ্লাইসিন সবচেয়ে সরল অ্যামাইনো এসিড, দেহ সহজেই বানায়। সেরিনও দেহে তৈরি হয়। সিস্টিন তৈরি হয় দুটি সিস্টেইন জুড়ে, আর সিস্টেইন দেহ মিথিওনিন থেকে বানাতে পারে।
ফাঁদ হলো সিস্টিন; এতে সালফার আছে বলে একে মিথিওনিনের মতো অত্যাবশ্যকীয় ভেবে ফেলা সহজ। কিন্তু দেহ মিথিওনিন থেকেই এটা তৈরি করে নেয়।
মনে রাখুন: ইংরেজি মনে রাখার কৌশল PVT TIM HaLL: Phenylalanine, Valine, Threonine, Tryptophan, Isoleucine, Methionine, Histidine, Leucine, Lysine।
৪৫. প্রকৃতিতে মৌলিক বল কয়টি? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- ক2 টি
- খ3 টি
- গ4 টি
- ঘ5 টি
সঠিক উত্তর: গ. 4 টি
প্রশ্নটি প্রকৃতির মৌলিক বলের সংখ্যা জানতে চাইছে। মৌলিক বল চারটি: মহাকর্ষ বল, তড়িৎচৌম্বক বল, সবল নিউক্লীয় বল ও দুর্বল নিউক্লীয় বল।
মৌলিক বল মানে যে বলকে অন্য কোনো বলের রূপ হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায় না। ঘর্ষণ, টান বা ধাক্কার মতো দৈনন্দিন বল আসলে পরমাণুর মধ্যকার তড়িৎচৌম্বক বলেরই রূপ।
সবল নিউক্লীয় বল সবচেয়ে শক্তিশালী, এটি নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রনকে ধরে রাখে, কিন্তু খুব কাছের দূরত্বে কাজ করে। দুর্বল নিউক্লীয় বল তেজস্ক্রিয় বিটা ক্ষয় ঘটায়। মহাকর্ষ সবচেয়ে দুর্বল, তবু অসীম দূরত্ব পর্যন্ত কাজ করে বলে গ্রহ-নক্ষত্রের গতি নিয়ন্ত্রণ করে।
ফাঁদ হলো তিনটি, কারণ তড়িৎ ও দুর্বল বলকে একীভূত তত্ত্বে একসঙ্গে ধরা হয়। কিন্তু মৌলিক বল হিসেবে প্রচলিত গণনা চারটি।
মনে রাখুন: মৌলিক বল চারটি: সবল, তড়িৎচৌম্বক, দুর্বল, মহাকর্ষ।
৪৬. জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ কোন ধরনের রেডিয়েশন ব্যবহার করে? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কUltra-violet
- খInfrared
- গVisible
- ঘX-ray
সঠিক উত্তর: খ. Infrared
প্রশ্নটি জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কোন ধরনের বিকিরণে পর্যবেক্ষণ করে তা জানতে চাইছে। উত্তর অবলোহিত বা ইনফ্রারেড রশ্মি।
মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে, তাই অনেক দূরের ছায়াপথের আলো আসতে আসতে তরঙ্গদৈর্ঘ্য লম্বা হয়ে লালের দিকে সরে যায়; একে লোহিত সরণ বলে। প্রথম যুগের ছায়াপথের দৃশ্যমান ও অতিবেগুনি আলো আমাদের কাছে পৌঁছায় অবলোহিত হয়ে। তাই সেগুলো দেখতে অবলোহিত দূরবীক্ষণ দরকার।
অবলোহিত রশ্মি ধূলিমেঘ ভেদ করেও যেতে পারে, ফলে নক্ষত্রের জন্মস্থান দেখা যায়। নিজের তাপ যেন পর্যবেক্ষণে বাধা না দেয়, সেজন্য ওয়েবের একটি বিশাল সূর্যঢাল আছে এবং এটি পৃথিবী থেকে প্রায় পনেরো লাখ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে। এটি ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয়।
ফাঁদ হলো দৃশ্যমান আলো, কারণ হাবল টেলিস্কোপ মূলত দৃশ্যমান ও অতিবেগুনি আলোয় কাজ করে। এক্সরে পর্যবেক্ষণ করে চন্দ্র এক্সরে মানমন্দির।
মনে রাখুন: ওয়েব মানে অবলোহিত, চন্দ্র মানে এক্সরে, হাবল মানে দৃশ্যমান।
৪৭. কোনটি আলোর প্রাথমিক রং হিসাবে বিবেচনা করা হয় না? (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কসবুজ
- খনীল
- গলাল
- ঘহলুদ
সঠিক উত্তর: ঘ. হলুদ
প্রশ্নটা আলোর রং মেশানোর নিয়ম যাচাই করছে। আলোর তিনটি মৌলিক বা প্রাথমিক রং হলো লাল, সবুজ আর নীল, সংক্ষেপে RGB।
এই তিন রং বিভিন্ন অনুপাতে মিশিয়ে আলোর প্রায় সব রং তৈরি করা যায়, আর তিনটি সমানভাবে মেশালে হয় সাদা। টেলিভিশন ও মোবাইলের পর্দা এই নিয়মেই রং দেখায়।
হলুদ মৌলিক নয়; লাল আর সবুজ আলো মেশালে হলুদ হয়, তাই এটি যৌগিক রং।
ফাঁদ হলো রঙ-তুলির নিয়মের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা। ছবি আঁকার রঞ্জকে হলুদকে প্রাথমিক রং ধরা হয়, কিন্তু প্রশ্ন জানতে চেয়েছে আলোর প্রাথমিক রং।
মনে রাখুন: আলো মানে RGB: লাল, সবুজ, নীল। এর বাইরের যেকোনো রং আলোর ক্ষেত্রে যৌগিক।
৪৮. রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিনটি হল- (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কVitamin K
- খVitamin A
- গVitamin B
- ঘVitamin C
সঠিক উত্তর: ক. Vitamin K
প্রশ্নটি রক্ত জমাট বাঁধার জন্য দরকারি ভিটামিন জানতে চাইছে। উত্তর ভিটামিন কে।
কেটে গেলে রক্ত জমাট বাঁধাতে যকৃতে প্রোথ্রম্বিনসহ কয়েকটি জমাট বাঁধার উপাদান তৈরি হতে হয়। এগুলো তৈরিতে ভিটামিন কে অপরিহার্য। অভাব হলে সামান্য আঘাতেও রক্তক্ষরণ সহজে থামে না।
নামটাই মনে রাখার সূত্র: জার্মান ও ডেনিশ ভাষায় জমাট বাঁধাকে বলে কোয়াগুলেশন, তার প্রথম অক্ষর থেকে কে। সবুজ শাকসবজি এর ভালো উৎস, আর অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াও কিছুটা তৈরি করে। নবজাতকের রক্তক্ষরণ রোধে জন্মের পর এই ভিটামিনের ইনজেকশন দেওয়া হয়।
অন্যগুলোর কাজ আলাদা: ভিটামিন এ চোখের জন্য, অভাবে রাতকানা; ভিটামিন বি শক্তি বিপাক ও স্নায়ুর জন্য; ভিটামিন সি-র অভাবে স্কার্ভি হয়, মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে, তাই অনেকে রক্তের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন।
মনে রাখুন: জমাট বাঁধা মানেই ভিটামিন কে।
৪৯. ফোটন শক্তি 'E' এর সমীকরণটি হল- (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কhλ/c
- খhc/λ
- গcλ/h
- ঘchλ
সঠিক উত্তর: খ. hc/λ
প্রশ্নটি ফোটনের শক্তির সূত্র জানতে চাইছে। ফোটনের শক্তি সমান প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক গুণ আলোর বেগ, ভাগ তরঙ্গদৈর্ঘ্য।
সূত্রটি দুই ধাপে আসে। প্ল্যাঙ্কের মতে ফোটনের শক্তি সমান প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক গুণ কম্পাঙ্ক। আবার আলোর বেগ সমান কম্পাঙ্ক গুণ তরঙ্গদৈর্ঘ্য, তাই কম্পাঙ্ক সমান আলোর বেগ ভাগ তরঙ্গদৈর্ঘ্য। এটি প্রথম সূত্রে বসালেই উত্তর পাওয়া যায়।
সূত্রটি বলে শক্তি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক। তাই খাটো তরঙ্গের অতিবেগুনি ও এক্সরে ফোটনের শক্তি বেশি, আর লম্বা তরঙ্গের রেডিও ফোটনের শক্তি কম। এ কারণে অতিবেগুনি রশ্মি ত্বক পোড়ায়, রেডিও তরঙ্গ পোড়ায় না।
ফাঁদ হলো তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে লবে বসানো। একক মিলিয়ে দেখলেও বোঝা যায়, কেবল আলোর বেগকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য দিয়ে ভাগ করলেই কম্পাঙ্ক আসে।
মনে রাখুন: শক্তি কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক, তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক; তাই লম্বডা নিচে।
৫০. দ্বিপদ নামকরণে দ্বিতীয় নামটি নির্দেশ করে- (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কপ্রজাতি
- খবর্গ
- গরাজ্য
- ঘশ্রেণি
সঠিক উত্তর: ক. প্রজাতি
প্রশ্নটি দ্বিপদ নামকরণের দুই অংশের অর্থ জানতে চাইছে। প্রথম অংশ গণ, দ্বিতীয় অংশ প্রজাতি নির্দেশ করে।
সুইডিশ উদ্ভিদবিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস এই পদ্ধতি চালু করেন। প্রতিটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই শব্দে লেখা হয়: প্রথম শব্দ গণের নাম, বড় হাতের অক্ষরে শুরু; দ্বিতীয় শব্দ প্রজাতিক বিশেষণ, ছোট হাতের অক্ষরে। ছাপায় পুরো নাম তির্যক অক্ষরে লেখা হয়।
যেমন মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম হোমো সেপিয়েন্স: হোমো গণ, সেপিয়েন্স প্রজাতি। ধানের নাম ওরাইজা স্যাটাইভা: ওরাইজা গণ, স্যাটাইভা প্রজাতি।
বর্গ, শ্রেণি ও রাজ্য শ্রেণিবিন্যাসের উঁচু ধাপ; এগুলো বৈজ্ঞানিক নামের দুই অংশে থাকে না। ক্রম মনে রাখুন: রাজ্য, পর্ব, শ্রেণি, বর্গ, গোত্র, গণ, প্রজাতি।
মনে রাখুন: প্রথমে গণ, পরে প্রজাতি: গণ বড় হাতের, প্রজাতি ছোট হাতের।
৫১. ধাতব কার্বোনেটের সাথে এসিডের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়- (৪৬তম বিসিএস, ২০২৪)
- কলবণ
- খপানি
- গকার্বন ডাইঅক্সাইড
- ঘসবগুলো
সঠিক উত্তর: ঘ. সবগুলো
প্রশ্নটি ধাতব কার্বনেট ও এসিডের বিক্রিয়ার উৎপাদ জানতে চাইছে। এই বিক্রিয়ায় একসঙ্গে লবণ, পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড তৈরি হয়, তাই উত্তর সবগুলো।
যেমন চুনাপাথর বা ক্যালসিয়াম কার্বনেটের সঙ্গে হাইড্রোক্লোরিক এসিড বিক্রিয়া করলে ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড লবণ, পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস হয়। গ্যাস বের হওয়ায় বুদবুদ ওঠে।
এই নীতি দৈনন্দিন জীবনেও দেখা যায়। পেটের এসিড কমাতে অ্যান্টাসিড খেলে কার্বনেট বা বাইকার্বনেট এসিডকে প্রশমিত করে। এসিড বৃষ্টিতে মার্বেল পাথরের ভাস্কর্য ক্ষয় হয় একই বিক্রিয়ায়। চুনজলে এই গ্যাস চালনা করলে চুনজল ঘোলা হয়, এভাবে কার্বন ডাইঅক্সাইড শনাক্ত করা যায়।
ফাঁদ হলো শুধু লবণ বা শুধু কার্বন ডাইঅক্সাইড বেছে নেওয়া। তিনটিই একসঙ্গে তৈরি হয়, তাই সবগুলো।
মনে রাখুন: কার্বনেট + এসিড = লবণ + পানি + কার্বন ডাইঅক্সাইড; উত্তর সবগুলো।
৫২. নিচের কোনটি চার্লসের সূত্র? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কV ∝ T
- খPV = K
- গV ∝ n
- ঘP ∝ T
সঠিক উত্তর: ক. V ∝ T
প্রশ্নটি গ্যাসের সূত্রগুলো আলাদা করে চেনার দক্ষতা যাচাই করছে। চার্লসের সূত্র বলে: চাপ স্থির রাখলে নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন তার পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক। অর্থাৎ আয়তন সমানুপাতিক তাপমাত্রা।
কারণটা সহজ: গরম করলে গ্যাসের অণুগুলো দ্রুত চলে ও বেশি জায়গা নেয়, তাই চাপ একই রাখতে আয়তন বাড়ে। তাপমাত্রা অবশ্যই কেলভিনে ধরতে হয়, সেলসিয়াসে নয়।
বাকি সূত্রগুলোও মনে রাখুন। চাপ গুণ আয়তন ধ্রুবক হলো বয়েলের সূত্র, যেখানে তাপমাত্রা স্থির। আয়তন সমানুপাতিক মোল সংখ্যা হলো অ্যাভোগেড্রোর সূত্র। চাপ সমানুপাতিক তাপমাত্রা হলো চাপের সূত্র বা গে-লুসাকের সূত্র, যেখানে আয়তন স্থির।
ফাঁদ হলো চাপ সমানুপাতিক তাপমাত্রা বিকল্পটি, কারণ এতেও তাপমাত্রা আছে। কিন্তু চার্লসের সূত্রে চাপ স্থির, বদলায় আয়তন।
মনে রাখুন: চার্লস মানে আয়তন আর তাপমাত্রা; বয়েল মানে চাপ আর আয়তন।
৫৩. সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) কেলাসের গঠন কীরূপ? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কপৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনকাকৃতির
- খদেহ-কেন্দ্রিক ঘনকাকার
- গসংঘবদ্ধ-ঘনকাকার
- ঘসংঘবদ্ধ ষড়কৌণিক আকার
সঠিক উত্তর: ক. পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনকাকৃতির
প্রশ্নটি খাবার লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইডের কেলাস গঠন জানতে চাইছে। এর গঠন পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনক, যাকে মুখকেন্দ্রিক ঘনকও বলে।
এই গঠনে একটি ঘনকের আটটি কোণে এবং ছয়টি তলের ঠিক মাঝখানে ক্লোরাইড আয়ন বসে। সোডিয়াম আয়নগুলো এদের মাঝের ফাঁকা জায়গাগুলো ভরে, ফলে দুই ধরনের আয়নই আলাদা আলাদা পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক জালি তৈরি করে।
প্রতিটি সোডিয়াম আয়নের চারপাশে ছয়টি ক্লোরাইড আয়ন, আর প্রতিটি ক্লোরাইডের চারপাশে ছয়টি সোডিয়াম থাকে। তাই এর সন্নিবেশ সংখ্যা ছয় অনুপাত ছয়। তুলনায় সিজিয়াম ক্লোরাইডে সন্নিবেশ সংখ্যা আট, যার গঠন দেহকেন্দ্রিক ধাঁচের।
ফাঁদ হলো দেহকেন্দ্রিক ঘনক, যা সিজিয়াম ক্লোরাইডের ক্ষেত্রে বলা হয়। আর সংঘবদ্ধ ষড়কৌণিক গঠন দেখা যায় ম্যাগনেসিয়াম বা জিঙ্কের মতো ধাতুতে।
মনে রাখুন: খাবার লবণ মানে পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনক, সন্নিবেশ ছয়-ছয়।
৫৪. নিচের কোনটি প্রাইমারি দূষক? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কSO3
- খN2O5
- গNO
- ঘHNO3
সঠিক উত্তর: গ. NO
প্রশ্নটি প্রাথমিক ও গৌণ বায়ুদূষকের পার্থক্য যাচাই করছে। যে দূষক কোনো উৎস, যেমন গাড়ির ইঞ্জিন বা কারখানার চুল্লি, থেকে সরাসরি বাতাসে আসে সেটি প্রাথমিক দূষক।
উচ্চ তাপমাত্রায় জ্বালানি পোড়ালে বাতাসের নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন মিলে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি হয় এবং ধোঁয়ার সঙ্গে সরাসরি বের হয়। তাই নাইট্রিক অক্সাইড প্রাথমিক দূষক। সালফার ডাইঅক্সাইড ও কার্বন মনোক্সাইডও প্রাথমিক দূষক।
বাতাসে পৌঁছানোর পর প্রাথমিক দূষক আবার বিক্রিয়া করে নতুন দূষক তৈরি করে, এগুলো গৌণ দূষক। নাইট্রিক অক্সাইড জারিত হয়ে নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড, পরে ডাইনাইট্রোজেন পেন্টঅক্সাইড ও নাইট্রিক এসিড হয়। সালফার ডাইঅক্সাইড জারিত হয়ে সালফার ট্রাইঅক্সাইড হয়। এসিড বৃষ্টি এদেরই ফল।
ফাঁদ হলো সালফার ট্রাইঅক্সাইড; সালফার শুনেই অনেকে প্রাথমিক ভাবেন, কিন্তু চুল্লি থেকে মূলত বের হয় সালফার ডাইঅক্সাইড।
মনে রাখুন: বিকল্পে সবচেয়ে কম জারিত, সরল অক্সাইডটিই সাধারণত প্রাথমিক দূষক।
৫৫. HPLC এর পূর্ণরূপ কী? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কHigh pressure liquid chromatography
- খHigh power liquid chromatography
- গHigh plant liquid chromatography
- ঘHigh performance liquid chromatography
সঠিক উত্তর: ঘ. High performance liquid chromatography
প্রশ্নটি রসায়নের একটি বহুল ব্যবহৃত বিশ্লেষণ পদ্ধতির পূর্ণরূপ জানতে চাইছে। এইচপিএলসি মানে হাই পারফরম্যান্স লিকুইড ক্রোমাটোগ্রাফি, বাংলায় উচ্চ দক্ষতার তরল ক্রোমাটোগ্রাফি।
ক্রোমাটোগ্রাফি হলো মিশ্রণের উপাদানগুলোকে আলাদা করার পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে খুব সূক্ষ্ম দানায় ভরা একটি সরু নলের ভেতর দিয়ে উচ্চ চাপে তরল দ্রাবক ঠেলে পাঠানো হয়। প্রতিটি উপাদান ভিন্ন গতিতে বের হয়, ফলে আলাদা করে শনাক্ত ও মাপা যায়।
ওষুধের মান যাচাই, খাদ্যে ভেজাল ও কীটনাশক শনাক্ত এবং রক্তে ওষুধের মাত্রা মাপতে এটি ব্যবহৃত হয়। শুরুর দিকে উচ্চ চাপ ব্যবহারের কারণে একে হাই প্রেশার লিকুইড ক্রোমাটোগ্রাফিও বলা হতো, পরে পারফরম্যান্স নামটিই প্রতিষ্ঠিত হয়।
তাই চাপ শব্দের বিকল্পটি ইতিহাসে ছিল, কিন্তু বর্তমান প্রচলিত ও প্রত্যাশিত উত্তর পারফরম্যান্স। পাওয়ার ও প্লান্ট শব্দ দুটি এখানে বানানো বিভ্রান্তি।
মনে রাখুন: এইচপিএলসি-র পি এখন পারফরম্যান্স; প্রেশার পুরোনো নাম।
৫৬. নিচের কোনটি সিরামিক উপাদানের প্রধান কাঁচামাল? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কSiO2
- খNa2CO3
- গFe2O3
- ঘNaNO3
সঠিক উত্তর: ক. SiO2
প্রশ্নটি সিরামিকের প্রধান কাঁচামাল জানতে চাইছে। সিরামিক তৈরি হয় কাদামাটি, বালু ও ফেল্ডস্পার পুড়িয়ে, আর এদের সবার মূল উপাদান সিলিকা বা সিলিকন ডাইঅক্সাইড।
কাদামাটি হলো অ্যালুমিনিয়াম সিলিকেট, আর বালু প্রায় খাঁটি সিলিকা। উচ্চ তাপে পোড়ালে এই সিলিকেট কণাগুলো গলে জুড়ে গিয়ে শক্ত, তাপসহ ও পানিরোধী বস্তু তৈরি করে। থালাবাসন, টাইলস, ইট ও চীনামাটির জিনিস এভাবেই তৈরি হয়।
অন্য বিকল্পগুলোর কাজ আলাদা। সোডিয়াম কার্বনেট বা সোডা অ্যাশ কাচ ও ডিটারজেন্ট তৈরিতে লাগে। ফেরিক অক্সাইড হলো লোহার মরিচা, রঞ্জক হিসেবে কিছু কাজে লাগে। সোডিয়াম নাইট্রেট বা চিলি সল্টপিটার সার ও বিস্ফোরকে ব্যবহৃত হয়।
ফাঁদ হলো সোডিয়াম কার্বনেট, কারণ কাচ তৈরির সঙ্গে এর নাম জড়িত; কিন্তু কাচেও প্রধান উপাদান সিলিকা।
মনে রাখুন: মাটি, বালু, কাচ আর সিরামিক: সবার মূলে সিলিকা।
৫৭. সানস্ক্রিন লোশন তৈরিতে কোন ন্যানো পার্টিকেল ব্যবহৃত হয়? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কNa2O
- খZnO
- গAl2O3
- ঘCuO
সঠিক উত্তর: খ. ZnO
প্রশ্নটি সানস্ক্রিনে ব্যবহৃত ন্যানো কণা জানতে চাইছে। উত্তর জিংক অক্সাইড। এর সঙ্গে টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইডও খুব প্রচলিত।
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বক পোড়ায় ও ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। জিংক অক্সাইড অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ ও কিছুটা প্রতিফলন করে ত্বককে রক্ষা করে, এবং লম্বা ও খাটো দুই ধরনের অতিবেগুনি রশ্মিতেই কাজ করে।
সাধারণ জিংক অক্সাইড ত্বকে সাদা প্রলেপ রাখে। ন্যানো আকারের কণা দৃশ্যমান আলো তেমন ছড়ায় না, তাই লোশন স্বচ্ছ দেখায় কিন্তু সুরক্ষা থাকে। এটিই ন্যানো প্রযুক্তির সুবিধা।
সোডিয়াম অক্সাইড পানির সঙ্গে বিক্রিয়ায় ক্ষার তৈরি করে, যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। অ্যালুমিনিয়াম ও কপার অক্সাইড সানস্ক্রিনের মূল সক্রিয় উপাদান নয়।
মনে রাখুন: সানস্ক্রিন মানে জিংক অক্সাইড বা টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড।
৫৮. মানুষের দেহকোষে ক্রোমোজমের সংখ্যা – (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- ক৪৪ টি
- খ৪২ টি
- গ৪৬ টি
- ঘ৪৮ টি
সঠিক উত্তর: গ. ৪৬ টি
প্রশ্নটি মানুষের দেহকোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা জানতে চাইছে। মানুষের প্রতিটি দেহকোষে ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে, অর্থাৎ ২৩ জোড়া।
এর মধ্যে ২২ জোড়া বা ৪৪টি হলো অটোজোম, যারা দেহের সাধারণ বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। বাকি ১ জোড়া হলো লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম: নারীতে দুটি এক্স, পুরুষে একটি এক্স ও একটি ওয়াই।
শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মতো জননকোষে থাকে অর্ধেক, ২৩টি। নিষেকের সময় দুটি জননকোষ মিলে আবার ৪৬টি হয়। এই কারণে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সংখ্যা ঠিক থাকে।
ফাঁদ হলো ৪৪, যা শুধু অটোজোমের সংখ্যা। আর ৪৮টি ক্রোমোজোম থাকে শিম্পাঞ্জি ও গরিলার মতো বনমানুষের।
মনে রাখুন: দেহকোষে ৪৬, জননকোষে ২৩; ৪৪ মানে শুধু অটোজোম।
৫৯. সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বিজাতীয় খাদ্যের অনুপাত? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- ক৪ : ১ : ১
- খ৪ : ২ : ২
- গ৪ : ২ : ৩
- ঘ৪ : ৩ : ২
সঠিক উত্তর: ক. ৪ : ১ : ১
প্রশ্নটি সুষম খাদ্যে তিনটি প্রধান শক্তিদায়ক উপাদানের প্রচলিত অনুপাত জানতে চাইছে। পাঠ্যবই ও পরীক্ষায় প্রচলিত হিসাব হলো শর্করা, আমিষ ও স্নেহ চার অনুপাত এক অনুপাত এক।
শর্করা দেহের প্রধান ও সহজ শক্তির উৎস, তাই এর ভাগ সবচেয়ে বেশি। আমিষ দেহ গঠন ও ক্ষয়পূরণে লাগে, আর স্নেহ ঘন শক্তি দেয় ও কিছু ভিটামিন শোষণে সাহায্য করে; এই দুটি কম পরিমাণে লাগে।
অর্থাৎ ছয় ভাগ খাবারের চার ভাগ শর্করা, এক ভাগ আমিষ, এক ভাগ স্নেহ। এর সঙ্গে ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানিও সুষম খাদ্যের অপরিহার্য অংশ।
ফাঁদ হলো চার অনুপাত দুই অনুপাত দুই বা অন্য বিকল্প, যেগুলো আমিষ ও স্নেহের ভাগ বেশি দেখায়। শর্করার ভাগ বাকি দুটির যোগফলের দ্বিগুণ, এভাবে মনে রাখলেই চার, এক, এক।
মনে রাখুন: শর্করা বাকি দুটির যোগফলের দ্বিগুণ: চার, এক, এক।
৬০. মানুষের শরীরের রক্তের গ্রুপ কয়টি? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কচারটি
- খপাঁচটি
- গতিনটি
- ঘদুইটি
সঠিক উত্তর: ক. চারটি
প্রশ্নটি মানুষের রক্তের গ্রুপ সংখ্যা জানতে চাইছে। প্রধান এবিও পদ্ধতিতে রক্তের গ্রুপ চারটি: এ, বি, এবি ও ও।
লোহিত কণিকার গায়ে কোন অ্যান্টিজেন আছে তা দেখে গ্রুপ ঠিক হয়। এ গ্রুপে এ অ্যান্টিজেন, বি গ্রুপে বি অ্যান্টিজেন, এবি গ্রুপে দুটোই, আর ও গ্রুপে কোনোটিই নেই। তাই ও গ্রুপকে সর্বজনীন দাতা এবং এবি গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয়।
অস্ট্রীয় বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার ১৯০১ সালে এবিও পদ্ধতির ভিত্তি আবিষ্কার করেন এবং ১৯৩০ সালে নোবেল পুরস্কার পান। পরে তিনি আরএইচ ফ্যাক্টরও আবিষ্কারে ভূমিকা রাখেন; আরএইচ যোগ করলে গ্রুপগুলো পজিটিভ ও নেগেটিভে ভাগ হয়।
ফাঁদ হলো আরএইচ ফ্যাক্টর মিলিয়ে বেশি সংখ্যা ভাবা। প্রশ্নের প্রচলিত উত্তর এবিও পদ্ধতির চারটি গ্রুপ।
মনে রাখুন: এবিও পদ্ধতিতে চারটি গ্রুপ; আরএইচ আলাদা পদ্ধতি।