বাংলা ভাষা ও সাহিত্য · পাতা ৫০
৯৮১. ‘ইয়ং বেঙ্গল’ গোষ্ঠীর মুখপত্ররূপে কোন পত্রিকা প্রকাশিত হয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কবঙ্গদূত
- খজ্ঞানান্বেষণ
- গজ্ঞানাঙ্কুর
- ঘসংবাদ প্রভাকর
সঠিক উত্তর: খ. জ্ঞানান্বেষণ
প্রশ্নটি ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর মুখপত্র জানতে চেয়েছে। উত্তর জ্ঞানান্বেষণ, ১৮৩১ সালে প্রকাশিত। নামের অর্থই গোষ্ঠীর আদর্শ বলে দেয়: জ্ঞানের অন্বেষণ, মানে যুক্তি দিয়ে সত্য খোঁজা।
ইয়ং বেঙ্গল হলো হিন্দু কলেজের শিক্ষক হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর অনুসারী তরুণদের গোষ্ঠী। তাঁরা কুসংস্কার, অন্ধ প্রথা আর গোঁড়ামির বিরুদ্ধে যুক্তিবাদী চিন্তার পক্ষে লিখতেন।
অন্য পত্রিকাগুলোর পরিচয় আলাদা। সংবাদ প্রভাকর ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের পত্রিকা, ১৮৩১ সালে প্রকাশিত, পরে প্রথম বাংলা দৈনিক হয়। বঙ্গদূত ১৮২৯ সালের পত্রিকা, রাজা রামমোহন রায়ের ঘনিষ্ঠদের উদ্যোগে।
ফাঁদ সংবাদ প্রভাকর, কারণ এটি আর জ্ঞানান্বেষণ একই বছরে বের হয়। কিন্তু ঈশ্বর গুপ্ত ইয়ং বেঙ্গলের আদর্শের সমর্থক ছিলেন না।
মনে রাখুন: ডিরোজিও, ইয়ং বেঙ্গল, জ্ঞানান্বেষণ: যুক্তির খোঁজ, তাই জ্ঞানের অন্বেষণ।
৯৮২. হরিনাথ মজুমদার সম্পাদিত পত্রিকার নাম - - (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কঅবকাশ রঞ্জিকা
- খবিবিধার্থ সংগ্রহ
- গকাব্য প্রকাশ
- ঘগ্রামবার্তা প্রকাশিকা
সঠিক উত্তর: ঘ. গ্রামবার্তা প্রকাশিকা
প্রশ্নটি একজন সম্পাদক আর তাঁর পত্রিকা মেলানোর। হরিনাথ মজুমদার, যিনি কাঙাল হরিনাথ নামে পরিচিত, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে গ্রামবার্তা প্রকাশিকা সম্পাদনা করতেন। এটি ১৮৬৩ সালে প্রকাশিত হয়।
পত্রিকাটির বিশেষত্ব ছিল গ্রামের মানুষের কথা বলা। জমিদার, নীলকর আর মহাজনদের শোষণের খবর এতে নির্ভয়ে ছাপা হতো, তাই একে গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ বলা হয়।
কাঙাল হরিনাথ ফিকিরচাঁদ নামে বাউল গানও লিখতেন। পত্রিকার নামেই সূত্র: গ্রামবার্তা মানে গ্রামের খবর, আর তিনি ছিলেন গ্রামের মানুষের সম্পাদক।
বিবিধার্থ সংগ্রহ রাজেন্দ্রলাল মিত্রের সম্পাদিত পত্রিকা, হরিনাথের নয়। অন্য দুটি নামের সঙ্গেও হরিনাথের সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন: নামেই উত্তর: গ্রামের কাঙালের পত্রিকা গ্রামবার্তা প্রকাশিকা।
৯৮৩. নিচের কোনটি ভ্রমণসাহিত্য বিষয়ক গ্রন্থ নয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কচার ইয়ারী কথা
- খপালামৌ
- গদৃষ্টিপাত
- ঘদেশে বিদেশে
সঠিক উত্তর: ক. চার ইয়ারী কথা
প্রশ্নটি ভ্রমণসাহিত্য চেনার। চার ইয়ারী কথা প্রমথ চৌধুরীর গল্পগ্রন্থ, ভ্রমণকাহিনি নয়। এতে চার বন্ধু, মানে চার ইয়ার, পালা করে নিজেদের প্রেমের অভিজ্ঞতার গল্প বলেন।
বাকি তিনটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি। পালামৌ সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের, যিনি বঙ্কিমচন্দ্রের বড় ভাই। দৃষ্টিপাত যাযাবর ছদ্মনামে লেখা, লেখকের আসল নাম বিনয় মুখোপাধ্যায়। দেশে বিদেশে সৈয়দ মুজতবা আলীর আফগানিস্তান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা।
ভ্রমণকাহিনি চেনার সূত্র: কোনো জায়গার নাম বা যাত্রার ইঙ্গিত, যেমন পালামৌ একটি জায়গা, দেশে বিদেশে মানে বিভিন্ন দেশে।
ফাঁদ দৃষ্টিপাত, কারণ লেখকের নাম ছদ্মনাম বলে অনেকে বইটি চিনতে পারেন না। যাযাবর নামটিই বলে দেয় এটি ভ্রমণের বই।
মনে রাখুন: ভ্রমণসাহিত্যের চার নাম একসঙ্গে: পালামৌ, দৃষ্টিপাত, দেশে বিদেশে, জলে ডাঙায়।
৯৮৪. নিচের যে উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজ জীবনের চিত্র প্রাধান্য লাভ করেনি - - (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কগণদেবতা
- খপদ্মানদীর মাঝি
- গসীতারাম
- ঘপথের পাঁচালী
সঠিক উত্তর: গ. সীতারাম
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোন উপন্যাসে গ্রামীণ জীবন প্রধান নয়। উত্তর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সীতারাম। এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস; রাজা সীতারাম রায়ের উত্থান ও পতন, রাজ্য আর যুদ্ধ এর বিষয়।
বাকি তিনটি গ্রামবাংলার উপন্যাস। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের গণদেবতা গ্রামের সমাজ ও তার ভাঙনের কাহিনি। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মানদীর মাঝি জেলেপাড়ার জীবন নিয়ে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথের পাঁচালী নিশ্চিন্দিপুর গ্রামের অপু-দুর্গার গল্প।
চেনার সহজ উপায়: বঙ্কিম ঊনবিংশ শতকের লেখক, তাঁর অনেক উপন্যাস রাজা ও ইতিহাস নিয়ে। বাকি তিন লেখক বিশ শতকের, যাঁদের লেখায় গ্রামের সাধারণ মানুষ কেন্দ্রে।
প্রশ্নের নয় শব্দটি খেয়াল করুন। তিনটি গ্রামীণ উপন্যাস চিনে ফেললে বাকিটিই উত্তর।
মনে রাখুন: তিন বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রামের লেখক; বঙ্কিমের সীতারাম রাজার গল্প।
৯৮৫. নিচের কোন চরিত্র দুটি রবীন্দ্রনাথের ‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাসের? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কবিহারী-বিনোদিনী
- খনিখিলেশ-বিমলা
- গমধুসূদন-কুমুদিনী
- ঘঅমিত-লাবণ্য
সঠিক উত্তর: খ. নিখিলেশ-বিমলা
প্রশ্নটি রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসের চরিত্র মেলানোর। ঘরে বাইরে উপন্যাসের প্রধান চরিত্র নিখিলেশ, তাঁর স্ত্রী বিমলা আর স্বদেশি নেতা সন্দীপ। স্বদেশি আন্দোলনের পটভূমিতে ঘরের বউ বিমলার বাইরের জগতের দিকে টানই কাহিনির কেন্দ্র।
বাকি জুটিগুলো রবীন্দ্রনাথের অন্য উপন্যাসের। বিহারী আর বিনোদিনী চোখের বালির, অমিত আর লাবণ্য শেষের কবিতার, আর মধুসূদন আর কুমুদিনী যোগাযোগের।
ঘরে বাইরে উপন্যাসটি সবুজপত্র পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয় এবং চলিত ভাষায় লেখা রবীন্দ্রনাথের প্রথম উপন্যাসগুলোর একটি।
চারটি জুটিই রবীন্দ্রনাথের, তাই লেখক দেখে বাদ দেওয়া যাবে না। প্রতিটি উপন্যাসের প্রধান জুটি আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
মনে রাখুন: চার উপন্যাস, চার জুটি: ঘরে বাইরে নিখিলেশ-বিমলা, চোখের বালি বিহারী-বিনোদিনী, শেষের কবিতা অমিত-লাবণ্য, যোগাযোগ মধুসূদন-কুমুদিনী।
৯৮৬. কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- করিক্তের বেদন
- খসর্বহারা
- গআলেয়া
- ঘকুহেলিকা
সঠিক উত্তর: ঘ. কুহেলিকা
প্রশ্নটি নজরুলের উপন্যাস চেনার। কাজী নজরুল ইসলাম তিনটি উপন্যাস লিখেছেন: বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা আর কুহেলিকা। বিকল্পগুলোর মধ্যে তাই উত্তর কুহেলিকা।
বাঁধনহারা পত্রোপন্যাস, মানে চিঠির আকারে লেখা উপন্যাস। মৃত্যুক্ষুধা কৃষ্ণনগরের দরিদ্র মানুষের জীবন নিয়ে, আর কুহেলিকায় রাজনীতি ও বিপ্লবী চেতনা প্রধান।
বাকি তিনটি নজরুলেরই, কিন্তু অন্য ধরনের। রিক্তের বেদন গল্পগ্রন্থ, সর্বহারা কাব্যগ্রন্থ, আর আলেয়া গীতিনাট্য।
চারটিই নজরুলের, তাই এখানে ধরন মনে রাখতে হবে। তিনটি উপন্যাসের নাম মুখস্থ থাকলে প্রশ্নটি সঙ্গে সঙ্গে মেলে।
মনে রাখুন: নজরুলের তিন উপন্যাস: বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা।
৯৮৭. কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কব্রজাঙ্গনা
- খবিলাতের পত্র
- গবীরাঙ্গনা
- ঘহিমালয়
সঠিক উত্তর: গ. বীরাঙ্গনা
প্রশ্নটি মধুসূদনের পত্রকাব্য চেনার। বীরাঙ্গনা কাব্য ১৮৬২ সালে প্রকাশিত, বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। এতে পুরাণের এগারোজন নারী তাঁদের স্বামী বা প্রিয়জনকে চিঠি লিখছেন, প্রতিটি সর্গ একটি চিঠি।
মধুসূদন এই ধারণা নিয়েছিলেন রোমান কবি ওভিদের হিরোইডিস থেকে। এখানে শকুন্তলা, দ্রৌপদী, কৈকেয়ীর মতো নারীরা নিজের কণ্ঠে অভিযোগ, প্রেম আর অভিমান জানান।
মধুসূদনের অন্য কাব্য: ব্রজাঙ্গনা, রাধার বিরহ নিয়ে লেখা গীতিকাব্য; মেঘনাদবধ কাব্য, অমিত্রাক্ষর ছন্দের মহাকাব্য; আর চতুর্দশপদী কবিতাবলী, বাংলা সনেটের বই।
ফাঁদ ব্রজাঙ্গনা, কারণ বীরাঙ্গনার সঙ্গে নামের মিল আছে। আর বিলাতের পত্র নামে পত্র শব্দ থাকলেও এটি মধুসূদনের পত্রকাব্য নয়।
মনে রাখুন: অঙ্গনা জোড়া: বীরাঙ্গনা চিঠি লেখে, ব্রজাঙ্গনা গান গায়।
৯৮৮. ‘একখানি ছোট ক্ষেত আমি একেলা’ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার চরণ? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কসোনার তরী
- খচিত্রা
- গমানসী
- ঘবলাকা
সঠিক উত্তর: ক. সোনার তরী
প্রশ্নটি একটি চরণ দিয়ে কবিতা চেনার। একখানি ছোট ক্ষেত আমি একেলা চরণটি রবীন্দ্রনাথের সোনার তরী কবিতার। এটি একই নামের কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা, কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৮৯৪ সালে।
কবিতার পরিচিত ছবি: বর্ষার দিনে কৃষক একা ছোট ক্ষেতে ধান কেটে বসে আছেন, সোনার তরী এসে ধান তুলে নেয়, কিন্তু কৃষকের জায়গা হয় না। ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই, ছোট সে তরী চরণটিও এই কবিতার।
অন্য বিকল্পগুলো রবীন্দ্রনাথের অন্য কাব্যগ্রন্থ: মানসী ১৮৯০, চিত্রা ১৮৯৬, আর বলাকা ১৯১৬ সালে। সময়রেখায় সোনার তরী মানসী আর চিত্রার মাঝখানে।
চারটিই রবীন্দ্রনাথের, তাই এখানে চরণের ছবি দেখে চিনতে হবে: ক্ষেত, ধান, তরী মানেই সোনার তরী।
মনে রাখুন: ক্ষেত, ধান, তরী, ঠাঁই নাই: এই শব্দগুলো দেখলেই সোনার তরী।
৯৮৯. ‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’ - -কবিতাটি কার লেখা? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কশামসুর রাহমান
- খআল মাহমুদ
- গআবুল ফজল
- ঘআবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
সঠিক উত্তর: ঘ. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
প্রশ্নটি একটি বিখ্যাত কবিতার কবি জানতে চেয়েছে। আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর কবিতা; একই নামে তাঁর কাব্যগ্রন্থও আছে। কবিতায় বাঙালির ইতিহাস, শ্রম আর সংগ্রামের ঐতিহ্য একটানা উচ্চারণে বলা হয়েছে।
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর আরেকটি বিখ্যাত কবিতা কোন এক মাকে, ভাষা আন্দোলনে শহিদ ছেলের মাকে নিয়ে লেখা, যার শুরু কুমড়ো ফুলে ফুলে নুয়ে পড়েছে লতাটা।
অন্যদের পরিচয় আলাদা। শামসুর রাহমানের বিখ্যাত কবিতা স্বাধীনতা তুমি আর আসাদের শার্ট। আল মাহমুদের বিখ্যাত কাব্য সোনালি কাবিন। আবুল ফজল মূলত প্রাবন্ধিক ও কথাসাহিত্যিক, কবি হিসেবে পরিচিত নন।
ফাঁদ শামসুর রাহমান, কারণ মুক্তিযুদ্ধ ও জাতীয় ইতিহাসের কবিতা মানেই অনেকে তাঁর নাম ধরে নেন।
মনে রাখুন: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ: কিংবদন্তীর কথা আর কুমড়ো ফুলের মা।
৯৯০. কোনটি শওকত ওসমানের রচনা নয়? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- কচৌরসন্ধি
- খক্রীতদাসের হাসি
- গভেজাল
- ঘবনি আদম
সঠিক উত্তর: গ. ভেজাল
প্রশ্নটি শওকত ওসমানের রচনা চেনার। বিকল্পগুলোর মধ্যে ভেজাল তাঁর রচনা নয়; বাকি তিনটি তাঁর উপন্যাস।
শওকত ওসমানের সবচেয়ে আলোচিত উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি, যেখানে খলিফা হারুনুর রশীদের প্রাসাদের ক্রীতদাস তাতারীর হাসির রূপকে স্বৈরশাসনের সমালোচনা করা হয়েছে। বনি আদম আর চৌরসন্ধিও তাঁর উপন্যাস।
তাঁর আরও পরিচিত বই জননী উপন্যাস আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা জাহান্নাম হইতে বিদায়।
এমন প্রশ্নে লেখকের চেনা বইগুলো একে একে বাদ দিন; যে নামটি তাঁর তালিকায় নেই, সেটিই উত্তর।
মনে রাখুন: শওকত ওসমান: জননী, ক্রীতদাসের হাসি, বনি আদম, চৌরসন্ধি, জাহান্নাম হইতে বিদায়।
৯৯১. সঠিক বানান কোনটি? (৩৬তম বিসিএস, ২০১৬)
- ককূসংস্কার
- খকুসংকার
- গকুসংস্কার
- ঘকূশংষ্কার
সঠিক উত্তর: গ. কুসংস্কার
প্রশ্নটি একটি উপসর্গযুক্ত শব্দের বানান যাচাই করছে। শুদ্ধ বানান কুসংস্কার। গঠন হলো কু উপসর্গ আর সংস্কার শব্দ।
কু উপসর্গে সবসময় হ্রস্ব উ-কার, যেমন কুকথা, কুপথ, কুফল। তাই কূ দিয়ে লেখা ভুল।
সংস্কার শব্দে সম্ আর কার মিলে মাঝখানে একটি স যুক্ত হয়েছে, তাই ং-এর পরে স্ক। এই নিয়মে আরও শব্দ সংস্কৃত, সংস্কৃতি। স্ক বাদ দিয়ে সংকার লিখলে কোনো শুদ্ধ শব্দই হয় না।
শেষ বিকল্পে তিনটি ভুল একসঙ্গে: দীর্ঘ ঊ, তালব্য শ আর ষ্ক। ষ্ক মূর্ধন্য ষ দিয়ে লেখা হয় পরিষ্কার, নিষ্কাম জাতীয় শব্দে, যেখানে আগে ই বা উ থাকে; সংস্কারে তা নয়।
মনে রাখুন: কু দিয়ে শুরু উপসর্গযুক্ত শব্দে হ্রস্ব উ: কুসংস্কার, কুকথা, কুপথ, কুফল।
৯৯২. কোনটি বাগধারা বোঝায়? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কচৈত্র সংক্রান্তি
- খপৌষ সংক্রান্তি
- গশিরে সংক্রান্তি
- ঘশিব-সংক্রান্তি
সঠিক উত্তর: গ. শিরে সংক্রান্তি
প্রশ্নটি বাগ্ধারা চেনার। বাগ্ধারা হলো এমন শব্দগুচ্ছ, যার আক্ষরিক অর্থ নয়, বিশেষ একটি অর্থ প্রচলিত। শিরে সংক্রান্তি একটি বাগ্ধারা, অর্থ আসন্ন বিপদ বা বিপদ একেবারে মাথার ওপর।
সংক্রান্তি মানে মাসের শেষ দিন। মাথার ওপর মাসের শেষ দিন, মানে আর সময় নেই, বিপদ ঘনিয়ে এসেছে। যেমন: পরীক্ষা কাল, অথচ বই খোলাই হয়নি, এখন তো শিরে সংক্রান্তি।
চৈত্র সংক্রান্তি আর পৌষ সংক্রান্তি আক্ষরিক অর্থেই চৈত্র আর পৌষ মাসের শেষ দিন, যা উৎসবের দিন হিসেবে পালিত হয়। এদের কোনো রূপক অর্থ নেই, তাই এরা বাগ্ধারা নয়।
চারটি বিকল্পেই সংক্রান্তি শব্দ থাকায় বিভ্রান্তি হয়। কৌশল হলো দেখা, কোনটির অর্থ আক্ষরিক নয়; শুধু শিরে সংক্রান্তির অর্থ রূপক।
মনে রাখুন: আক্ষরিক অর্থ খাটলে বাগ্ধারা নয়; রূপক অর্থ লাগলে বাগ্ধারা। একই ধরনের: অকাল কুষ্মাণ্ড মানে অপদার্থ, কাঁঠালের আমসত্ত্ব মানে অসম্ভব বস্তু।
৯৯৩. কোনটি মৌলিক শব্দ? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কমানব
- খগোলাপ
- গএকাঙ্ক
- ঘধাতব
সঠিক উত্তর: খ. গোলাপ
প্রশ্নটি মৌলিক আর সাধিত শব্দের পার্থক্য যাচাই করছে। মৌলিক শব্দ হলো যে শব্দকে ভাঙলে আর অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, যেমন হাত, নাক, গাছ। গোলাপ এমন একটি মৌলিক শব্দ।
সাধিত শব্দ তৈরি হয় প্রকৃতি আর প্রত্যয়, সমাস বা উপসর্গ দিয়ে। মানব শব্দটি মনু আর প্রত্যয় মিলে গঠিত, অর্থ মনুর বংশধর। ধাতব শব্দটি ধাতু আর প্রত্যয় মিলে, অর্থ ধাতু দিয়ে তৈরি।
একাঙ্ক শব্দটি এক আর অঙ্ক মিলে গঠিত, যেমন একাঙ্ক নাটক মানে এক অঙ্কের নাটক। দুটি শব্দ জুড়ে তৈরি বলে এটিও সাধিত।
পরীক্ষার কৌশল: শব্দটি ভেঙে দেখুন, ভাঙা অংশগুলোর আলাদা অর্থ আছে কি না। মানব থেকে মনু, ধাতব থেকে ধাতু, একাঙ্ক থেকে এক আর অঙ্ক পাওয়া যায়; গোলাপ ভাঙলে কিছু পাওয়া যায় না।
মনে রাখুন: মৌলিক শব্দ ভাঙা যায় না: গোলাপ, হাত, নাক, গাছ, মা। ভাঙলে অর্থপূর্ণ অংশ পেলে সাধিত।
৯৯৪. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থসমূহের মধ্যে কোনটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র লেখা? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কবঙ্গভাষা ও সাহিত্য
- খবাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
- গবাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
- ঘবাংলা সাহিত্যের কথা
সঠিক উত্তর: ঘ. বাংলা সাহিত্যের কথা
প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসগ্রন্থ আর তার লেখক মেলানোর। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র লেখা বাংলা সাহিত্যের কথা, দুই খণ্ডে প্রকাশিত। এতে তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস আলোচনা করেছেন।
অন্য তিনটি বইও বিখ্যাত ইতিহাসগ্রন্থ, কিন্তু অন্য লেখকের। বঙ্গভাষা ও সাহিত্য দীনেশচন্দ্র সেনের, বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাসগুলোর একটি। বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস সুকুমার সেনের। বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
চারটি নাম প্রায় এক রকম বলে এই প্রশ্ন কঠিন লাগে। শেষ শব্দটি দিয়ে মনে রাখুন: কথা শহীদুল্লাহ্, ইতিহাস সুকুমার সেন, ইতিবৃত্ত অসিতকুমার, আর ভাষা ও সাহিত্য দীনেশচন্দ্র।
ফাঁদ বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস। ইতিহাস শব্দ দেখে অনেকে সবচেয়ে বিখ্যাত পণ্ডিত শহীদুল্লাহ্র নাম জুড়ে দেন, কিন্তু এটি সুকুমার সেনের।
মনে রাখুন: শেষ শব্দে লেখক: কথা শহীদুল্লাহ্, ইতিহাস সুকুমার, ইতিবৃত্ত অসিতকুমার, ভাষা ও সাহিত্য দীনেশচন্দ্র।
৯৯৫. ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কমুনীর চৌধুরী
- খহাসান হাফিজুর রহমান
- গশামসুর রাহমান
- ঘগাজীউল হক
সঠিক উত্তর: খ. হাসান হাফিজুর রহমান
প্রশ্নটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম প্রকাশনার সম্পাদক জানতে চেয়েছে। উত্তর হাসান হাফিজুর রহমান। তিনি ১৯৫৩ সালে একুশে ফেব্রুয়ারি নামে সংকলন সম্পাদনা করেন, যা ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রথম সাহিত্য সংকলন।
প্রশ্নে পত্রিকা বলা হলেও উত্তরটি এই সংকলনকে ঘিরেই। সংকলনটিতে সে সময়ের তরুণ লেখকদের কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ ছিল এবং প্রকাশের পর পাকিস্তান সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করে।
অন্যদের অবদানও ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত, কিন্তু সম্পাদক হিসেবে নয়। মুনীর চৌধুরী লেখেন কবর নাটক। গাজীউল হক ভাষাসৈনিক এবং ভুলব না, ভুলব না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না গানের রচয়িতা। শামসুর রাহমান কবি, ভাষা নিয়ে তাঁর বিখ্যাত কবিতা বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা।
ফাঁদ মুনীর চৌধুরী, কারণ ভাষা আন্দোলনের সাহিত্য বললেই কবর নাটকের কথা মনে আসে।
মনে রাখুন: একুশের প্রথম সংকলন একুশে ফেব্রুয়ারি, সম্পাদক হাসান হাফিজুর রহমান; একুশের প্রথম নাটক কবর, মুনীর চৌধুরী।
৯৯৬. নিচের কোন বানানগুচ্ছের সবগুলো বানানই অশুদ্ধ? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কনিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব
- খঅনূর্বর, ঊর্ধবগামী, শুদ্ধ্যশুদ্ধি
- গভূরিভূরি, ভূঁড়িওয়ালা, মাতৃশ্বসা
- ঘরানি, বিকিরণ, দুরতিক্রম্য
সঠিক উত্তর: ক. নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব
প্রশ্নটি এমন গুচ্ছ খুঁজছে যার তিনটি বানানই ভুল। নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব গুচ্ছে তিনটিই অশুদ্ধ। শুদ্ধ রূপ নিক্বণ, সূচ্যগ্র আর অনূর্ধ্ব।
কারণগুলো দেখুন। নিক্বণ মানে নূপুরের শব্দ, এতে ক-এর সঙ্গে ব-ফলা, দুটি ক নয়। সূচ্যগ্র এসেছে সূচি আর অগ্র থেকে; ই-এর পরে অ এলে ই বদলে য-ফলা হয়, তাই সূচ্যগ্র। অনূর্ধ্ব এসেছে অন্ আর ঊর্ধ্ব থেকে, তাই দীর্ঘ ঊ-কার, আর শেষে ধ-এর সঙ্গে ব-ফলা।
অন্য গুচ্ছগুলোতে অন্তত একটি বানান শুদ্ধ। রানি, বিকিরণ, দুরতিক্রম্য তিনটিই শুদ্ধ। অনূর্বর আর শুদ্ধ্যশুদ্ধি শুদ্ধ। ভূরিভূরি শুদ্ধ, যদিও ভুঁড়িওয়ালা হ্রস্ব উ দিয়ে আর মাতৃষ্বসা মূর্ধন্য ষ দিয়ে লিখতে হয়।
এমন প্রশ্নে প্রতিটি গুচ্ছে একটি শুদ্ধ বানান খুঁজে পেলেই সেই গুচ্ছ বাদ। যে গুচ্ছে একটিও শুদ্ধ নেই, সেটিই উত্তর।
মনে রাখুন: ই-এর পরে অ বা আ এলে য-ফলা: সূচি আর অগ্র মিলে সূচ্যগ্র, ইতি আর আদি মিলে ইত্যাদি, অতি আর অন্ত মিলে অত্যন্ত।
৯৯৭. বাংলাদেশে ‘গ্রাম থিয়েটার’- এর প্রবর্তক কে? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কমমতাজউদদীন আহমদ
- খআব্দুল্লাহ আল মামুন
- গসেলিম আল দীন
- ঘরামেন্দু মজুমদার
সঠিক উত্তর: গ. সেলিম আল দীন
প্রশ্নটি বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনের একজন পথিকৃৎকে চিনতে চেয়েছে। গ্রাম থিয়েটার হলো গ্রামের মানুষকে নিয়ে, গ্রামের মঞ্চে, দেশজ রীতিতে নাটক করার আন্দোলন।
এ আন্দোলনের প্রবর্তক নাট্যকার সেলিম আল দীন। আশির দশকের শুরুতে নাসির উদ্দীন ইউসুফকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার গড়ে তোলেন। তিনি ঢাকা থিয়েটারেরও প্রতিষ্ঠাতাদের একজন।
সেলিম আল দীনের পরিচিত নাটক চাকা, কিত্তনখোলা, কেরামতমঙ্গল, হাতহদাই ও যৈবতী কন্যার মন। বাংলা নাটকের দেশজ আঙ্গিক খোঁজাই ছিল তাঁর কাজের মূল সুর।
ফাঁদ হলো বাকি তিনজনও নাট্যজগতের বড় নাম। আব্দুল্লাহ আল মামুন ও রামেন্দু মজুমদার থিয়েটার নাট্যদলের সঙ্গে যুক্ত, আর মমতাজউদদীন আহমদ নাট্যকার; কিন্তু গ্রাম থিয়েটারের প্রবর্তক তাঁরা নন।
মনে রাখুন: গ্রাম থিয়েটার মানেই সেলিম আল দীন; ঢাকা থিয়েটারও তাঁর হাতে গড়া।
৯৯৮. ‘সমভিব্যাহারে’ শব্দটির অর্থ কী? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কএকাগ্রতায়
- খসমান ব্যবহারে
- গসম ভাবনায়
- ঘএকযোগে
সঠিক উত্তর: ঘ. একযোগে
প্রশ্নটি একটি তৎসম শব্দের অর্থ জানতে চেয়েছে। সমভিব্যাহারে শব্দের অর্থ সঙ্গে, একত্রে বা একযোগে।
শব্দটি পুরোনো সাধু গদ্যে খুব চলত, যেমন বন্ধু সমভিব্যাহারে ভ্রমণ, মানে বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে ভ্রমণ। এখানে কারও সঙ্গে মিলে একসঙ্গে কিছু করার ভাবটিই মূল।
ফাঁদ হলো শব্দের শুরুর সম অংশটি। সম দেখে অনেকে সমান ব্যবহারে বা সম ভাবনায় বেছে নেন, কিন্তু শব্দটির সঙ্গে ব্যবহার বা ভাবনার কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন: সম অংশ দেখে সমান অর্থ ধরবেন না; প্রয়োগের বাক্যটি মনে করলেই অর্থ পরিষ্কার।
৯৯৯. শৃঙ্গার রসকে বৈষ্ণব পদাবলিতে কী রস বলে? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কভাবরস
- খমধুর রস
- গপ্রেমরস
- ঘলীলারস
সঠিক উত্তর: খ. মধুর রস
প্রশ্নটি বৈষ্ণব পদাবলির রসতত্ত্ব নিয়ে। সংস্কৃত অলংকারশাস্ত্রে নারী-পুরুষের প্রেমের রসকে বলে শৃঙ্গার রস; বৈষ্ণব পদাবলিতে এই রসকেই বলা হয় মধুর রস।
বৈষ্ণব রসশাস্ত্রে ভক্ত ও কৃষ্ণের সম্পর্ক অনুযায়ী পাঁচটি রস: শান্ত, দাস্য, সখ্য, বাৎসল্য ও মধুর। রাধা ও কৃষ্ণের প্রেম মধুর রসের মূল, আর একে সব রসের শ্রেষ্ঠ ধরা হয়।
মনে রাখার উপায়: সম্পর্ক যত ঘনিষ্ঠ, রস তত গভীর। দাস প্রভুর সঙ্গে দাস্য, বন্ধু সখ্য, মা বাবা বাৎসল্য, আর প্রেমিকা মধুর।
প্রেমরস নামটি অর্থের দিক থেকে কাছাকাছি শোনায় বলে ফাঁদ হয়; কিন্তু শাস্ত্রীয় নাম মধুর রস।
মনে রাখুন: বৈষ্ণব রসের পাঁচটি নাম মুখস্থ রাখুন; তালিকায় ভাবরস, প্রেমরস বা লীলারস নেই।
১০০০. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী? (৩৭তম বিসিএস, ২০১৬)
- কBuddhist Mystic Songs
- খচর্যাগীতিকা
- গচর্যাগীতিকোষ
- ঘহাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা
সঠিক উত্তর: ক. Buddhist Mystic Songs
প্রশ্নটি চর্যাপদ নিয়ে কে কোন গ্রন্থ লিখেছেন বা সম্পাদনা করেছেন, তা জানতে চেয়েছে। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদের ইংরেজি সংস্করণের নাম Buddhist Mystic Songs, প্রকাশিত হয় ১৯৬০ সালে।
শহীদুল্লাহ্ ১৯২৮ সালে প্যারিসের সরবোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কাহ্নপা ও সরহপার দোহা ও চর্যা নিয়ে গবেষণা করে ডক্টরেট পান। চর্যার ধর্মতত্ত্ব ব্যাখ্যায় তাঁর কাজ গুরুত্বপূর্ণ; আর চর্যার ভাষা যে বাংলা, তা ভাষাতাত্ত্বিকভাবে প্রমাণ করেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, ১৯২৬ সালে।
চর্যাপদের প্রথম প্রকাশ হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর হাতে। তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগারে পুঁথিটি পান এবং ১৯১৬ সালে হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন।
ফাঁদ হলো হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বইটি। চর্যাপদের সবচেয়ে বিখ্যাত বই বলে অনেকে এটিই বেছে নেন, কিন্তু এর সম্পাদক শহীদুল্লাহ্ নন।
মনে রাখুন: চর্যাপদের ইংরেজি নামের বই দেখলে শহীদুল্লাহ্; বাংলা দীর্ঘ নামের বই হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।