বাংলা ভাষা ও সাহিত্য · পাতা ১৭
৩২১. ‘দুঃখ’ কোন প্রকার বিশেষ্য পদ? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক: অফিসার, ২০২২)
- কসংজ্ঞাবাচক
- খগুণবাচক
- গভাববাচক
- ঘজাতিবাচক
সঠিক উত্তর: খ. গুণবাচক
বিশেষ্য পদের ছয়টি ভাগ: সংজ্ঞাবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, ভাববাচক ও গুণবাচক। প্রশ্নটি জানতে চায় দুঃখ শব্দটি কোন ভাগে পড়ে।
যে বিশেষ্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দোষ, গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়, তা গুণবাচক বিশেষ্য। সুখ, দুঃখ, সততা, তারুণ্য, মধুরতা এগুলো মনের বা বস্তুর অবস্থা ও গুণের নাম, তাই গুণবাচক।
ভাববাচক বিশেষ্য বোঝায় কোনো ক্রিয়ার ভাব বা কাজের নাম, যেমন গমন, দর্শন, ভোজন, শয়ন। এগুলো মূলত কাজ থেকে আসে; যাওয়া থেকে গমন, দেখা থেকে দর্শন।
দুঃখ কোনো কাজের নাম নয়, একটি অবস্থার নাম; তাই এটি ভাববাচক নয়। অনুভূতি শুনেই অনেকে ভাববাচক ধরে ফেলেন, এটাই এখানে ফাঁদ।
মনে রাখুন: শব্দটি কোনো কাজ থেকে এসেছে কি না দেখুন। কাজের নাম হলে ভাববাচক (গমন, শয়ন), দোষ-গুণ-অবস্থা হলে গুণবাচক (সুখ, দুঃখ, সৌন্দর্য)।
৩২২. ‘দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে’- এই বাক্যের অব্যয়টির নাম কী? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক: অফিসার, ২০২২)
- কঅনুসর্গ অব্যয়
- খঅনুকার অব্যয়
- গঅনন্বয়ী অব্যয়
- ঘসমুচ্চয়ী অব্যয়
সঠিক উত্তর: ক. অনুসর্গ অব্যয়
যে অব্যয় বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে, তাকে অনুসর্গ অব্যয় বলে। একে কর্মপ্রবচনীয় বা পরসর্গও বলে।
দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে, এই বাক্যে বিনা শব্দটি দুঃখ বিশেষ্যের পরে বসে সম্পর্ক বোঝাচ্ছে: দুঃখ ছাড়া। তাই বিনা এখানে অনুসর্গ অব্যয়।
বিনা, ছাড়া, দ্বারা, দিয়ে, কর্তৃক, হতে, থেকে, সঙ্গে, জন্য, চেয়ে এগুলো সবই অনুসর্গের পরিচিত উদাহরণ।
অনুকার অব্যয় হলো ধ্বনির অনুকরণ, যেমন ঝমঝম, কনকন; সমুচ্চয়ী অব্যয় দুটি পদ বা বাক্য জোড়ে, যেমন এবং, ও, কিন্তু। বিনা এর কোনোটির কাজ করছে না।
মনে রাখুন: অনুসর্গ সাধারণত শব্দের পরে বসে এবং “ছাড়া, দিয়ে, থেকে, জন্য” ধরনের সম্পর্ক বোঝায়।
৩২৩. ‘আস্থা’ এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক: অফিসার, ২০২২)
- কঅনাস্থা
- খঅনিচ্ছা
- গঅনিষ্ট
- ঘঅনাচার
সঠিক উত্তর: ক. অনাস্থা
আস্থা মানে বিশ্বাস বা ভরসা। এর বিপরীত শব্দ বানাতে আগে না-বাচক উপসর্গ অন যোগ করা হয়: অনাস্থা, মানে বিশ্বাসের অভাব।
অন আর আস্থা মিলে অনাস্থা হয়েছে। স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু শব্দের আগে না বোঝাতে সাধারণত অন বসে, যেমন অনাচার, অনিচ্ছা, অনিষ্ট। সংসদের অনাস্থা প্রস্তাব কথাটিতে এই শব্দই পাই।
বাকি তিনটিও না-বাচক শব্দ, কিন্তু অন্য শব্দের বিপরীত। অনিচ্ছা হলো ইচ্ছার, অনিষ্ট হলো ইষ্টের, অনাচার হলো আচারের বিপরীত।
সব অপশন অন দিয়ে শুরু, তাই দেখতে হবে মূল শব্দটা আস্থা কি না। সেটা আছে কেবল অনাস্থায়।
মনে রাখুন: বিপরীত শব্দের প্রশ্নে সব অপশন একই উপসর্গে শুরু হলে উপসর্গ বাদ দিয়ে মূল শব্দ মেলান।
৩২৪. এক কথায় প্রকাশ কর- ‘পাখির ডাক’ (সমন্বিত ৮ ব্যাংক: অফিসার, ২০২২)
- ককূজন
- খকেকা
- গকলকাকলি
- ঘহ্রেষা
সঠিক উত্তর: ক. কূজন
এক কথায় প্রকাশে পাখির ডাককে বলে কূজন। বিশেষ করে কোকিল ও অন্যান্য পাখির মধুর ডাক বোঝাতে শব্দটি চলে।
পশুপাখির ডাকের আলাদা আলাদা নাম পরীক্ষায় প্রায়ই আসে: ময়ূরের ডাক কেকা, ঘোড়ার ডাক হ্রেষা, হাতির ডাক বৃংহিত বা বৃংহণ, সিংহের ডাক গর্জন।
কলকাকলি মানে অনেক পাখির একসঙ্গে মিলিত কলরব। প্রশ্নে কেবল পাখির ডাক বলা হয়েছে, তাই প্রচলিত ও প্রত্যক্ষ উত্তর কূজন।
কেকা আর হ্রেষা ডাক তো বটে, কিন্তু নির্দিষ্ট প্রাণীর; ময়ূরও পাখি, তবে কেকা শুধু ময়ূরের ডাক, সাধারণ পাখির ডাক নয়।
মনে রাখুন: ডাকের প্রশ্নে প্রাণীর নাম দেখুন: ময়ূর কেকা, ঘোড়া হ্রেষা, হাতি বৃংহিত, পাখি কূজন।
৩২৫. নিচের কোনটি দেশি শব্দ নয়? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক: অফিসার, ২০২২)
- কডাব
- খপেট
- গসূর্য
- ঘকুলা
সঠিক উত্তর: গ. সূর্য
বাংলা শব্দভান্ডারে দেশি শব্দ সেগুলো, যা এদেশের আদি অধিবাসী কোল, মুন্ডা, সাঁওতাল প্রভৃতি জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে এসেছে। যেমন ডাব, পেট, কুলা, ঢেঁকি, ডিঙা, চোঙা।
সূর্য শব্দটি সংস্কৃত থেকে অপরিবর্তিত রূপে বাংলায় এসেছে, তাই এটি তৎসম শব্দ। চন্দ্র, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম এগুলোও তৎসম।
চেনার কৌশল: য-ফলা, ঋ-কার, ষ, ণ বা যুক্তবর্ণে ভরা গম্ভীর শব্দ সাধারণত তৎসম। ডাব, পেট, কুলার মতো ছোট, ঘরোয়া, গ্রামীণ জিনিসের নাম প্রায়ই দেশি।
প্রশ্নে নয় শব্দটি আছে, তাই খুঁজতে হবে যেটি দেশি নয়। চারটি অপশনের মধ্যে ডাব, পেট আর কুলা দেশি; একমাত্র সূর্য তৎসম।
মনে রাখুন: য-ফলা, ঋ-কার, ষ বা ণ থাকা গম্ভীর শব্দ দেখলে আগে তৎসম ভাবুন।
৩২৬. 'Lyric' শব্দের প্রতিশব্দ- (সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার, জেনারেল) (২০২২)
- কসংগীত
- খসুর
- গগান
- ঘগীতিকবিতা
সঠিক উত্তর: ঘ. গীতিকবিতা
প্রশ্নটা ইংরেজি পরিভাষার বাংলা প্রতিশব্দ জানতে চেয়েছে। Lyric মানে গীতিকবিতা, যাকে গীতিকাব্যও বলে।
গীতিকবিতা হলো কবির ব্যক্তিগত অনুভূতি, আবেগ বা ভাবনার সংক্ষিপ্ত, সুরেলা প্রকাশ। এতে কাহিনির চেয়ে কবির নিজের মনের কথা বড়। রবীন্দ্রনাথের অনেক কবিতা এবং বিহারীলাল চক্রবর্তীর কাব্য এর উদাহরণ; বিহারীলালকে বাংলা গীতিকবিতার ভোরের পাখি বলা হয়।
শব্দটার মূল গ্রিক বাদ্যযন্ত্র লায়ার। প্রাচীন গ্রিসে লায়ার বাজিয়ে যে কবিতা গাওয়া হতো, সেখান থেকেই লিরিক নাম।
ফাঁদ গান ও সংগীত। ইংরেজিতে গানকে বলে song, সংগীতকে music, আর সুরকে tune বা melody; পরিভাষা হিসেবে lyric এর প্রতিশব্দ গীতিকবিতা।
মনে রাখুন: সাহিত্যের পরিভাষা: Lyric = গীতিকবিতা, Epic = মহাকাব্য, Sonnet = চতুর্দশপদী কবিতা, Ballad = গাথা।
৩২৭. বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে? (সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার, জেনারেল) (২০২২)
- ক
- খ
- গ
- ঘ
সঠিক উত্তর: ঘ.
বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর, ঢাকার বর্ধমান হাউসে। এটি বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির গবেষণা ও প্রসারের জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
একাডেমি প্রতিষ্ঠার পেছনে আছে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। এরপর ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা কর্মসূচির একটি দফায় বর্ধমান হাউসকে বাংলা ভাষার গবেষণাকেন্দ্র করার অঙ্গীকার ছিল। যুক্তফ্রন্ট জেতার পর সেই দাবির ফলেই একাডেমির জন্ম।
বাংলা একাডেমি প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে অমর একুশে গ্রন্থমেলার আয়োজন করে, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেয়, আর প্রমিত বানানরীতি ও অভিধান প্রকাশ করে।
অনেকে ১৯৫২ বা ১৯৫৪ সালের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। ১৯৫২ ভাষা আন্দোলনের বছর, ১৯৫৪ যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের বছর; একাডেমি প্রতিষ্ঠা পায় তার পরের বছর, ১৯৫৫ সালে।
মনে রাখুন: বাহান্নয় আন্দোলন, চুয়ান্নয় অঙ্গীকার, পঞ্চান্নয় একাডেমি।
৩২৮. ‘কণ্ঠস্বর’ সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন - (সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার, জেনারেল) (২০২২)
- কসিকান্দার আবু জাফর
- খআবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
- গরফিক আজাদ
- ঘআবদুল মান্নান সৈয়দ
সঠিক উত্তর: খ. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
কণ্ঠস্বর ষাটের দশকের একটি সাহিত্য পত্রিকা, যা ১৯৬৫ সালে প্রকাশ শুরু করে। এর সম্পাদক ছিলেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
কণ্ঠস্বর ছিল তরুণ, প্রথাবিরোধী লেখকদের মুখপত্র। ষাটের দশকের নতুন ধারার অনেক কবি ও লেখক এখানে লিখে পরিচিতি পান, যেমন রফিক আজাদ ও আবদুল মান্নান সৈয়দ।
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ পরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন, বই পড়ার আন্দোলনের জন্য তিনি পরিচিত। টেলিভিশন উপস্থাপক হিসেবেও তিনি জনপ্রিয় ছিলেন।
ফাঁদ সিকান্দার আবু জাফর। তিনিও বিখ্যাত পত্রিকার সম্পাদক, কিন্তু তাঁর পত্রিকা সমকাল, কণ্ঠস্বর নয়। নামের ‘আবু’ অংশের মিলও বিভ্রান্তি বাড়ায়।
মনে রাখুন: পত্রিকা-সম্পাদক জোড়া: সমকাল = সিকান্দার আবু জাফর, কণ্ঠস্বর = আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, সবুজপত্র = প্রমথ চৌধুরী, কল্লোল = দীনেশরঞ্জন দাশ।
৩২৯. ‘পরশুরাম’ ছদ্মনামে লিখতেন- (সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার, জেনারেল) (২০২২)
- কসমরেশ বসু
- খবিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
- গরাজশেখর বসু
- ঘসতীনাথ ভাদুড়ী
সঠিক উত্তর: গ. রাজশেখর বসু
পরশুরাম ছদ্মনামে লিখতেন রাজশেখর বসু। তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা রম্য ও ব্যঙ্গ গল্পকার।
তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ গড্ডলিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালে। পরে কজ্জলী, হনুমানের স্বপ্ন ইত্যাদি গল্পগ্রন্থে সমাজের ভণ্ডামি নিয়ে মজার গল্প লেখেন। নিজের নামে তিনি সংকলন করেন বিখ্যাত বাংলা অভিধান চলন্তিকা।
ছদ্মনামের প্রশ্নে পাশের নামগুলোও আসে: সমরেশ বসুর ছদ্মনাম কালকূট, আর বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় লিখতেন যাযাবর নামে, যাঁর বিখ্যাত বই দৃষ্টিপাত।
ফাঁদ হলো দুই বসু। সমরেশ বসুরও ছদ্মনাম আছে, কিন্তু সেটা কালকূট; পরশুরাম হলেন রাজশেখর বসু।
মনে রাখুন: রম্যগল্প আর চলন্তিকা অভিধান দেখলেই রাজশেখর বসু, ওরফে পরশুরাম।
৩৩০. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দেন? (সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার, জেনারেল) (২০২২)
- ক১৯১৮
- খ১৯২৬
- গ১৯৩২
- ঘ১৯৩৬
সঠিক উত্তর: খ. ১৯২৬
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় আসেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে কার্জন হলে বক্তৃতা দেন। তাই উত্তর ১৯২৬।
এই সফরে তিনি বুড়িগঙ্গায় নবাবদের হাউসবোট তুরাগে ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি শিল্পের অর্থ বিষয়ে ইংরেজিতে বক্তৃতা দেন, আর আরেকটি বক্তৃতার বিষয় ছিল দানবের শাসন, মানে যন্ত্রসভ্যতার আধিপত্য।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালে, অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ এসেছিলেন প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছর পর।
ফাঁদ ১৯৩৬। সে বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রবীন্দ্রনাথকে সম্মানসূচক ডি.লিট ডিগ্রি দেয়; বক্তৃতার বছরের সঙ্গে এটা গুলিয়ে ফেলা সহজ।
মনে রাখুন: রবীন্দ্রনাথ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ছাব্বিশে বক্তৃতা, ছত্রিশে ডি.লিট।
৩৩১. ‘সন্ধি’ ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়? (সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার, জেনারেল) (২০২২)
- কধ্বনিতত্ত্বে
- খঅর্থতত্ত্বে
- গবাক্যতত্ত্বে
- ঘরূপতত্ত্বে
সঠিক উত্তর: ক. ধ্বনিতত্ত্বে
সন্ধি মানে পাশাপাশি থাকা দুটি ধ্বনির মিলন। যেমন বিদ্যা আর আলয় মিলে বিদ্যালয়: এখানে আ আর আ মিলে একটি আ হয়েছে। যেহেতু এটা ধ্বনির পরিবর্তন, তাই সন্ধি আলোচিত হয় ধ্বনিতত্ত্বে।
বাংলা ব্যাকরণের প্রধান চারটি ভাগ। ধ্বনিতত্ত্বে আছে ধ্বনি, বর্ণ, সন্ধি, ণত্ব ও ষত্ব বিধান। রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্বে আছে শব্দ গঠন, প্রত্যয়, বিভক্তি, সমাস। বাক্যতত্ত্বে আছে বাক্য, বাচ্য, উক্তি, যতিচিহ্ন। অর্থতত্ত্বে আছে শব্দের অর্থ, সমার্থক ও বিপরীত শব্দ।
মনে রাখার উপায়: যেখানে শুধু ধ্বনি বা বর্ণ বদলায়, তা ধ্বনিতত্ত্ব; যেখানে শব্দ তৈরি হয়, তা রূপতত্ত্ব।
ফাঁদ রূপতত্ত্ব। সমাসেও দুটি শব্দ মিলে নতুন শব্দ হয়, তাই সমাস রূপতত্ত্বে; কিন্তু সন্ধিতে মেলে ধ্বনি, শব্দ নয়।
মনে রাখুন: ধ্বনিতত্ত্ব: ধ্বনি, বর্ণ, সন্ধি, ণত্ব-ষত্ব। রূপতত্ত্ব: প্রত্যয়, বিভক্তি, সমাস। একই রীতিতে হিমালয়, সূর্যোদয়, নরেশ সবই ধ্বনির মিলন।
৩৩২. কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস নয় কোনটি? (সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার, জেনারেল) (২০২২)
- কশিউলিমালা
- খবাঁধন হারা
- গমৃত্যুক্ষুধা
- ঘকুহেলিকা
সঠিক উত্তর: ক. শিউলিমালা
কাজী নজরুল ইসলাম তিনটি উপন্যাস লিখেছেন: বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা আর কুহেলিকা। শিউলিমালা উপন্যাস নয়, এটি তাঁর একটি গল্পগ্রন্থ।
বাঁধনহারা নজরুলের প্রথম উপন্যাস, আর এটি চিঠির আকারে লেখা পত্রোপন্যাস। মৃত্যুক্ষুধায় কৃষ্ণনগরের দরিদ্র মানুষের জীবনসংগ্রাম, আর কুহেলিকায় বিপ্লবী রাজনীতির পটভূমি এসেছে।
নজরুলের গল্পগ্রন্থ তিনটি: ব্যথার দান, রিক্তের বেদন আর শিউলিমালা। তাই উপন্যাস আর গল্পগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে মনে রাখলে এমন প্রশ্নে ভুল হয় না।
এখানে ফাঁদ হলো শিউলিমালা নামটাই; কাব্যিক নাম শুনে অনেকে একে কবিতা বা উপন্যাস ভাবেন, কিন্তু এটি গল্পের বই।
মনে রাখুন: নজরুলের উপন্যাস: ‘বাঁধন ছিঁড়ে মৃত্যুক্ষুধায় কুহেলিকা’। এর বাইরে সব গল্প বা কাব্য।
৩৩৩. ‘মহুয়া’ কে রচনা করেছেন? (সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার, জেনারেল) (২০২২)
- কমনসুর বয়াতি
- খদ্বিজ কানাই
- গদীনেশচন্দ্র সেন
- ঘদক্ষিণারঞ্জন মিত্র
সঠিক উত্তর: খ. দ্বিজ কানাই
মহুয়া মৈমনসিংহ গীতিকার সবচেয়ে বিখ্যাত পালা। এর রচয়িতা দ্বিজ কানাই।
ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকমুখে প্রচলিত এই পালাগুলো সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে, আর দীনেশচন্দ্র সেন সেগুলো সম্পাদনা করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৈমনসিংহ গীতিকা নামে প্রকাশ করেন। মহুয়া পালায় বেদে কন্যা মহুয়া আর জমিদারপুত্র নদের চাঁদের প্রেমের করুণ কাহিনি আছে।
এই গীতিকার আরেকটি বিখ্যাত পালা দেওয়ানা মদিনা, যার রচয়িতা মনসুর বয়াতি।
ফাঁদ দীনেশচন্দ্র সেন। তিনি সম্পাদক, রচয়িতা নন। আর মনসুর বয়াতি একই গীতিকার কবি হলেও তাঁর পালা দেওয়ানা মদিনা।
মনে রাখুন: মহুয়া = দ্বিজ কানাই; দেওয়ানা মদিনা = মনসুর বয়াতি; সংগ্রহ = চন্দ্রকুমার দে; সম্পাদনা = দীনেশচন্দ্র সেন।
৩৩৪. ‘কবিকঙ্কণ’ কোন কবির উপাধি? (সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার, জেনারেল) (২০২২)
- কমুকুন্দরাম চক্রবর্তী
- খভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
- গহরিদত্ত
- ঘমানিক দত্ত
সঠিক উত্তর: ক. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
কবিকঙ্কণ মধ্যযুগের কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি। তিনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার শ্রেষ্ঠ কবি।
মুকুন্দরামের চণ্ডীমঙ্গলে কালকেতু-ফুল্লরা আর ধনপতি সদাগরের কাহিনি আছে। তাঁর লেখায় সমাজের সাধারণ মানুষের দুঃখ-দারিদ্র্যের বাস্তব ছবি আছে, যেমন ফুল্লরার বারমাস্যা।
মঙ্গলকাব্যের অন্য কবিদের পরিচয়ও মনে রাখুন: ভারতচন্দ্রের উপাধি রায়গুণাকর, তিনি অন্নদামঙ্গলের কবি। হরিদত্ত মনসামঙ্গলের আদি কবি, আর মানিক দত্ত চণ্ডীমঙ্গলের আদি কবি।
ফাঁদ ভারতচন্দ্র। তাঁরও উপাধি আছে, কিন্তু সেটা রায়গুণাকর, যা প্রশ্নের অপশনেই তাঁর নামের সঙ্গে লেখা।
মনে রাখুন: চণ্ডীমঙ্গল: আদি কবি মানিক দত্ত, শ্রেষ্ঠ কবি কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম।
৩৩৫. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক কোনটি? (সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার, জেনারেল) (২০২২)
- কআগুনের পরশমণি
- খপায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
- গএকাত্তরের দিনগুলি
- ঘজাহান্নাম হইতে বিদায়
সঠিক উত্তর: খ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
অপশনের চারটি বই-ই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, কিন্তু প্রশ্নে জানতে চেয়েছে নাটক। এর মধ্যে নাটক কেবল পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, যার রচয়িতা সৈয়দ শামসুল হক।
এটি একটি কাব্যনাটক। মুক্তিযুদ্ধের সময় এক গ্রামের মানুষ কীভাবে পাকিস্তানি বাহিনীর দোসর মাতবরের মুখোশ খুলে দেয় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের পায়ের আওয়াজে নতুন দিনের আশা দেখে, সেটাই এর কাহিনি। সৈয়দ শামসুল হকের আরেক বিখ্যাত কাব্যনাটক নূরলদীনের সারাজীবন।
বাকি তিনটি আলাদা ধরনের রচনা: আগুনের পরশমণি হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস, পরে তাঁর পরিচালনায় চলচ্চিত্রও হয়। একাত্তরের দিনগুলি জাহানারা ইমামের দিনলিপি বা স্মৃতিকথা। জাহান্নাম হইতে বিদায় শওকত ওসমানের উপন্যাস।
ফাঁদ আগুনের পরশমণি। চলচ্চিত্র হিসেবে বেশি পরিচিত বলে অনেকে একে নাটক ভাবেন, কিন্তু মূল রচনাটি উপন্যাস।
মনে রাখুন: বিষয় এক হলেও ধরন আলাদা করে মনে রাখুন: মুক্তিযুদ্ধের নাটক পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, আর মুনীর চৌধুরীর কবর হলো ভাষা আন্দোলনের নাটক।
৩৩৬. “সাহিত্যিকী” পত্রিকাটি কোন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত হয়? (সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার, জেনারেল) (২০২২)
- কবাংলা একাডেমি
- খবাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
- গঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- ঘরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর: ঘ. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
প্রশ্নটা বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক সাহিত্য পত্রিকা নিয়ে। “সাহিত্যিকী” প্রকাশ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ। এটি একটি গবেষণাধর্মী সাহিত্য পত্রিকা, যেখানে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে প্রবন্ধ ছাপা হয়।
এ ধরনের প্রশ্নে নাম দুটো খুব কাছাকাছি হওয়ায় গোলমাল হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পত্রিকার নাম “সাহিত্য পত্রিকা”। আর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের পত্রিকা “সাহিত্যিকী”।
বাংলা একাডেমির নিজস্ব পত্রিকা আলাদা: “উত্তরাধিকার”, “বাংলা একাডেমি পত্রিকা” আর শিশু-কিশোরদের জন্য “ধান শালিকের দেশ”।
সবচেয়ে বড় ফাঁদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সাহিত্য পত্রিকা আর সাহিত্যিকী নাম দুটো প্রায় একই শোনায়; মনে রাখুন, ঢাকার পত্রিকা সাহিত্য পত্রিকা, রাজশাহীর পত্রিকা সাহিত্যিকী।
মনে রাখুন: নামের শেষে “-কী” থাকলে রাজশাহী: সাহিত্যিকী; সাদামাটা “সাহিত্য পত্রিকা” ঢাকার।
৩৩৭. কোনটি ভাববাচক বিশেষ্য নয়? (সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার, জেনারেল) (২০২২)
- কচলন্ত
- খদর্শন
- গসৌন্দর্য
- ঘকরবে
সঠিক উত্তর: গ. সৌন্দর্য
ভাববাচক বিশেষ্য বোঝায় কোনো কাজের ভাব বা ক্রিয়ার নাম, যেমন গমন, ভোজন, দর্শন, শয়ন, চলন, করা। এগুলো ধাতু থেকে তৈরি, আর কাজটা করার অবস্থাকে নাম হিসেবে প্রকাশ করে।
অন্যদিকে গুণবাচক বিশেষ্য বোঝায় কোনো বস্তু বা ব্যক্তির গুণ বা দোষের নাম, যেমন সৌন্দর্য, মধুরতা, তারুণ্য, সততা। সুন্দর হলো বিশেষণ, আর তার গুণের নাম সৌন্দর্য। তাই সৌন্দর্য বিশেষ্য ঠিকই, কিন্তু ভাববাচক নয়, গুণবাচক।
দর্শন শব্দটি দৃশ্ ধাতু থেকে এসেছে, মানে দেখার কাজ; তাই এটি খাঁটি ভাববাচক বিশেষ্য। প্রশ্নকর্তা এখানে ভাববাচক আর গুণবাচক বিশেষ্যের পার্থক্যই যাচাই করতে চেয়েছেন।
তবে সতর্ক থাকুন, ছাপানো অপশনে চলন্ত হলো বিশেষণ আর করবে হলো ক্রিয়াপদ; এ দুটোও ভাববাচক বিশেষ্য নয়। চলন বা করা হলে সেগুলো ভাববাচক বিশেষ্য হতো। বিশেষ্যগুলোর মধ্যে যেটি ভাববাচক নয়, সেটি সৌন্দর্য, তাই উত্তর সৌন্দর্য।
মনে রাখুন: ধাতু থেকে কাজের নাম হলে ভাববাচক (গমন, শয়ন); বিশেষণ থেকে গুণের নাম হলে গুণবাচক (সৌন্দর্য, তারুণ্য, মধুরতা)।
৩৩৮. প্রত্যয় দিয়ে গঠিত শব্দ- (সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার, জেনারেল) (২০২২)
- কশীতা
- খভরপেট
- গলালপেড়ে
- ঘগ্রামীণ
সঠিক উত্তর: ঘ. গ্রামীণ
প্রশ্নটা জানতে চাইছে কোন শব্দ প্রত্যয় যোগে তৈরি, আর কোনগুলো সমাস দিয়ে। প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর শেষে বসা শব্দাংশ, যার আলাদা অর্থ নেই। সমাসে দুই বা ততোধিক অর্থপূর্ণ শব্দ মিলে এক শব্দ হয়।
গ্রামীণ শব্দটি গ্রাম শব্দের সঙ্গে ঈন প্রত্যয় যোগে গঠিত। শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় বসেছে বলে এটি তদ্ধিত প্রত্যয়। ঈন-এর ন ণত্ব বিধানে র-এর প্রভাবে ণ হয়েছে, তাই বানান গ্রামীণ।
এই প্রত্যয়ের আরও উদাহরণ: কুল থেকে কুলীন, নব থেকে নবীন। প্রত্যেকটিতে মূল শব্দের সঙ্গে ঈন বসে নতুন বিশেষণ হয়েছে।
ভরপেট আর লালপেড়ে দুটোতেই দুটি অর্থপূর্ণ শব্দ জোড়া লেগেছে, তাই এগুলো সমাসবদ্ধ পদ। লালপেড়ে মানে লাল পাড় যার, এটি বহুব্রীহি সমাস; শেষের এ দেখে প্রত্যয় ভাবলে ভুল হবে।
মনে রাখুন: দুটো অংশই যদি আলাদা শব্দ হিসেবে অর্থ দেয়, তা সমাস; শেষ অংশ অর্থহীন হলে তা প্রত্যয়।
৩৩৯. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ: (সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার, জেনারেল) (২০২২)
- কগায়েপড়া
- খকানেখাটো
- গহাতেখড়ি
- ঘসেতার
সঠিক উত্তর: গ. হাতেখড়ি
মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি হলো এমন বহুব্রীহি সমাস, যেখানে ব্যাসবাক্যের মাঝের একটি অংশ সমাস হওয়ার সময় লোপ পায়, আর পুরো সমাসটি অন্য কিছু বোঝায়।
হাতেখড়ি শব্দের ব্যাসবাক্য: হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে। মাঝের দেওয়া হয় যে অংশটি লোপ পেয়েছে, আর সমাসটি বোঝাচ্ছে একটি অনুষ্ঠানকে, হাত বা খড়িকে নয়। তাই এটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি। একই রকম উদাহরণ গায়েহলুদ: গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে।
গায়েপড়া আর কানেখাটো দুটোতেই প্রথম পদের এ বিভক্তি লোপ পায়নি; গায়ে পড়ে যে, কানে খাটো যে। বিভক্তি থেকে যাওয়ায় এগুলো অলুক বহুব্রীহি।
সেতার মানে সে বা তিনটি তার যার, এখানে প্রথম পদ সংখ্যা, তাই এটি সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি। হাতেখড়িতেও এ বিভক্তি আছে বলে অনেকে একে অলুক ভাবেন; আসল পরিচয় হলো মাঝের পদ লোপ।
মনে রাখুন: অনুষ্ঠানের নাম হলে প্রায় সব সময় মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি: হাতেখড়ি, গায়েহলুদ। বিভক্তি থেকে গিয়ে স্বভাব বোঝালে অলুক বহুব্রীহি: গায়েপড়া, কানেখাটো, মাথায়পাগড়ি।
৩৪০. অধিকরণ কারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ কোনটি? (সমন্বিত ৯ ব্যাংক: অফিসার, জেনারেল) (২০২২)
- কসারারাত বৃষ্টি ছিল।
- খসুখের লাগিয়া এ ঘর বাঁধিনু।
- গবাড়ি থেকে নদী দেখা যায়।
- ঘভোরে সূর্য উঠে।
সঠিক উত্তর: ক. সারারাত বৃষ্টি ছিল।
অধিকরণ কারক বোঝায় ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল বা বিষয়। সাধারণত এতে এ, য়, তে বিভক্তি বসে, যেমন ভোরে, ঘরে, বাড়িতে। কিন্তু কখনো কখনো কোনো বিভক্তি ছাড়াই অধিকরণ হয়, তাকে বলে শূন্য বিভক্তি।
সারারাত বৃষ্টি ছিল বাক্যে প্রশ্ন করি: কখন বৃষ্টি ছিল? উত্তর সারারাত। এটি সময় বোঝাচ্ছে, তাই কালাধিকরণ; আর সারারাত শব্দে কোনো বিভক্তি চিহ্ন নেই, তাই শূন্য বিভক্তি।
একই রকম উদাহরণ: আমি সেদিন বাড়ি যাইনি, বছর বছর বন্যা হয়। সময় বা কালের পরিমাণ বোঝালে প্রায়ই শূন্য বিভক্তি দেখা যায়।
ভোরে সূর্য উঠে বাক্যেও কালাধিকরণ আছে, কিন্তু ভোরে শব্দে এ বিভক্তি আছে, শূন্য নয়; এটাই প্রধান ফাঁদ। বাড়ি থেকে অপাদান কারক, আর সুখের লাগিয়া নিমিত্ত বোঝায়।
মনে রাখুন: অধিকরণ খুঁজতে কখন বা কোথায় প্রশ্ন করুন; উত্তরের শব্দে কোনো বিভক্তি না থাকলে শূন্য বিভক্তি (সারারাত, সেদিন, বছর বছর)।