সাধারণ বিজ্ঞান · পাতা ১৩
২৪১. বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি পরমাণুর শক্তি - - (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কযুক্ত অবস্থার চাইতে কম
- খযুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক
- গযুক্ত অবস্থার সমান
- ঘকোনোটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর: খ. যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক
প্রশ্নটা রাসায়নিক বন্ধন আর শক্তির সম্পর্ক যাচাই করছে। মূল নিয়ম: পরমাণুরা বন্ধনে যুক্ত হলে শক্তি নির্গত হয়, ফলে যুক্ত অবস্থার শক্তি কমে যায় এবং তা বেশি স্থিতিশীল হয়।
উল্টো দিক থেকে ভাবুন: একটি বন্ধন ভাঙতে বাইরে থেকে শক্তি দিতে হয়, যাকে বন্ধন শক্তি বলে। তাই বন্ধন ভেঙে আলাদা হওয়া পরমাণুর শক্তি যুক্ত অবস্থার চেয়ে বেশি।
উদাহরণ: দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু মিলে হাইড্রোজেন অণু তৈরির সময় শক্তি বেরিয়ে যায়; সেই অণু ভাঙতে আবার সমপরিমাণ শক্তি লাগে। প্রকৃতিতে সবকিছু কম শক্তির স্থিতিশীল অবস্থায় যেতে চায়, এজন্যই পরমাণুরা বন্ধন গড়ে।
ফাঁদ হলো কম বিকল্পটি: অনেকে ভাবেন যুক্ত হলে শক্তি যোগ হয়, কিন্তু আসলে বন্ধন গঠনে শক্তি বের হয়ে যায়।
মনে রাখুন: বন্ধন গড়লে শক্তি বের হয়, ভাঙলে শক্তি লাগে।
২৪২. ঘর্মাক্ত দেহে পাখার বাতাস আরাম দেয় কেন? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কগায়ের ঘাম বের হতে দেয় না
- খবাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
- গপাখার বাতাস শীতল জলীয়বাষ্প ধারণ করে
- ঘপাখার বাতাস সরাসরি লোমকূপ দিয়ে শরীরে ঢুকে যায়
সঠিক উত্তর: খ. বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
প্রশ্নটা দৈনন্দিন একটি অভিজ্ঞতার পেছনের বিজ্ঞান জানতে চেয়েছে। কারণ হলো বাষ্পায়ন বা বাষ্পীভবন শীতলতা সৃষ্টি করে।
তরল বাষ্প হতে তাপ লাগে, যাকে বাষ্পীভবনের সুপ্ততাপ বলে। গায়ের ঘাম বাষ্প হওয়ার সময় এই তাপ নেয় ত্বক থেকে, তাই ত্বক ঠান্ডা হয়।
পাখা বাতাসকে ঠান্ডা করে না। এটি ত্বকের কাছের আর্দ্র বাতাস সরিয়ে শুকনো বাতাস আনে, ফলে ঘাম দ্রুত বাষ্প হয় এবং আরাম লাগে; এজন্য খুব আর্দ্র ভ্যাপসা দিনে পাখার বাতাসেও আরাম কম লাগে।
ফাঁদ হলো শীতল জলীয়বাষ্প বিকল্পটি: পাখা নতুন কোনো ঠান্ডা বাষ্প আনে না, ঘরের বাতাসই নাড়ায়।
মনে রাখুন: বাষ্পীভবন মানেই শীতলতা; মাটির কলসির পানি ঠান্ডা থাকার কারণও এটি।
২৪৩. নিম্নের কোন বাক্যটি সত্য নয়? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কপদার্থের নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে
- খপ্রোটন ধনাত্মক আধানযুক্ত
- গইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত
- ঘইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে ভিতরে অবস্থান করে
সঠিক উত্তর: ঘ. ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে ভিতরে অবস্থান করে
প্রশ্নটা পরমাণুর গঠন নিয়ে, আর খুঁজতে বলেছে কোন বাক্যটি সত্য নয়। পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস, যেখানে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে।
প্রোটন ধনাত্মক আধানযুক্ত, নিউট্রন আধানহীন, আর ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত। ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের ভেতরে নয়, বাইরে বিভিন্ন শক্তিস্তরে নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ঘোরে।
রাদারফোর্ডের স্বর্ণপাত পরীক্ষা থেকে জানা যায়, পরমাণুর প্রায় সব ভর ছোট্ট একটি কেন্দ্রে, আর বাকিটা প্রায় ফাঁকা, যেখানে ইলেকট্রন থাকে।
তাই ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকে বাক্যটি ভুল। এ ধরনের প্রশ্নে নয় শব্দটি খেয়াল না করলে প্রথম সত্য বাক্যটিই বেছে নেওয়ার ভুল হয়।
মনে রাখুন: নেতিবাচক প্রশ্নে প্রতিটি বাক্য আলাদা করে যাচাই করুন; ইলেকট্রন কখনো নিউক্লিয়াসে নয়।
২৪৪. কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব নির্ণয়ের যন্ত্র হলো - – (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কঅ্যামিটার
- খভোল্টামিটার
- গঅণুবীক্ষণ যন্ত্র
- ঘতড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর: ঘ. তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোনো বস্তু আহিত কি না, অর্থাৎ তাতে আধান আছে কি না, তা কোন যন্ত্রে বোঝা যায়। উত্তর তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বা ইলেকট্রোস্কোপ।
সবচেয়ে পরিচিত হলো স্বর্ণপাত তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র। এর ধাতব চাকতিতে আহিত বস্তু ছোঁয়ালে নিচের দুটি পাতলা সোনার পাত একই ধরনের আধান পেয়ে পরস্পরকে বিকর্ষণ করে ফাঁক হয়ে যায়।
পাত ফাঁক হলে বোঝা যায় বস্তুতে আধান আছে, আর জানা আধানযুক্ত যন্ত্রের সঙ্গে মিলিয়ে আধানটি ধনাত্মক না ঋণাত্মক তাও নির্ণয় করা যায়।
অ্যামিটার বর্তনীর তড়িৎপ্রবাহ মাপে, ভোল্টমিটার বিভব পার্থক্য মাপে, আর অণুবীক্ষণ যন্ত্র ক্ষুদ্র বস্তু বড় করে দেখায়। বিদ্যুতের মাপযন্ত্র বলে প্রথম দুটি এখানে ফাঁদ।
মনে রাখুন: বীক্ষণ মানে দেখা: তড়িৎবীক্ষণ দেখে তড়িৎ, অণুবীক্ষণ দেখে ক্ষুদ্র বস্তু।
২৪৫. নিম্নের কোনটি বেকিং পাউডারের মূল উপাদানের সংকেত? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কCaCO3
- খNaHCO3
- গNH4HCO3
- ঘ(NH4)2CO3
সঠিক উত্তর: খ. NaHCO3
প্রশ্নটা বেকিং পাউডারের মূল উপাদানের সংকেত জানতে চেয়েছে। উত্তর সোডিয়াম বাইকার্বনেট, যাকে খাবার সোডা বা বেকিং সোডাও বলে।
বেকিং পাউডারে সোডিয়াম বাইকার্বনেটের সঙ্গে একটি শুকনো এসিড, যেমন টারটারিক এসিড বা ক্রিম অব টারটার, এবং আর্দ্রতা ঠেকাতে কিছু স্টার্চ মেশানো থাকে। পানি ও তাপ পেলে এরা বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস ছাড়ে।
সেই গ্যাসের বুদবুদ ময়দার খামিরে আটকে পড়ে কেক বা রুটিকে ফোলায় এবং নরম ও ফাঁপা করে।
ক্যালসিয়াম কার্বনেট চুনাপাথর ও চকের উপাদান। অ্যামোনিয়াম বাইকার্বনেট ও অ্যামোনিয়াম কার্বনেটও তাপে গ্যাস ছাড়ে এবং কিছু বিস্কুটে ব্যবহার হয়, কিন্তু এরা বেকিং পাউডারের মূল উপাদান নয়।
মনে রাখুন: বেকিং সোডা ও বেকিং পাউডার দুটোরই মূল উপাদান NaHCO₃।
২৪৬. আকৃতি, অবস্থান ও কাজের প্রকৃতিভেদে আবরণী টিস্যু কত ধরনের? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- ক২
- খ৩
- গ৪
- ঘ৫
সঠিক উত্তর: খ. ৩
প্রশ্নটা আবরণী টিস্যুর প্রকারভেদ জানতে চেয়েছে। আবরণী টিস্যু দেহের বাইরের তল ও ভেতরের বিভিন্ন অঙ্গের তল ঢেকে রাখে; এর কোষগুলো ঘন সন্নিবিষ্ট থাকে।
কোষের আকৃতি, অবস্থান ও কাজের ভিত্তিতে আবরণী টিস্যু তিন প্রকার: আঁইশাকার, ঘনাকার ও স্তম্ভাকার।
আঁইশাকার কোষ চ্যাপ্টা, যেমন ফুসফুসের বায়ুথলি ও রক্তনালির ভেতরের আবরণে। ঘনাকার কোষ ঘনকের মতো, যেমন বৃক্কের নালিকায়। স্তম্ভাকার কোষ লম্বা স্তম্ভের মতো, যেমন পাকস্থলী ও অন্ত্রের ভেতরের আবরণে।
পাঠ্যবইয়ে সিলিয়াযুক্ত বা গ্রন্থিময় আবরণীর কথাও আসে, তবে সেগুলো বিশেষায়িত রূপ। প্রশ্নে বলা ভিত্তিতে মূল প্রকার তিনটি, তাই চার বা পাঁচ গোনা ভুল।
মনে রাখুন: আঁইশ, ঘন, স্তম্ভ: আবরণীর তিন রূপ।
২৪৭. হৃৎপিণ্ড কোন ধরনের পেশি দ্বারা গঠিত? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কঐচ্ছিক
- খঅনৈচ্ছিক
- গবিশেষ ধরনের ঐচ্ছিক
- ঘবিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক
সঠিক উত্তর: ঘ. বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক
প্রশ্নটা হৃৎপিণ্ডের পেশির ধরন জানতে চেয়েছে। পেশি তিন রকম: ঐচ্ছিক বা কঙ্কাল পেশি, অনৈচ্ছিক বা মসৃণ পেশি, আর হৃৎপেশি।
হৃৎপেশি দেখতে ঐচ্ছিক পেশির মতো ডোরাকাটা, কিন্তু কাজ করে আমাদের ইচ্ছার বাইরে, অনৈচ্ছিক পেশির মতো। এর কোষগুলো শাখাযুক্ত এবং ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক নামের বিশেষ সংযোগে জোড়া থাকে, ফলে পুরো হৃৎপিণ্ড একসঙ্গে ছন্দে সংকুচিত হয়।
দুই ধরনের বৈশিষ্ট্য মিশে থাকায় হৃৎপেশিকে বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি বলা হয়। এটি জীবনভর বিশ্রাম ছাড়া কাজ করে যায়।
ফাঁদ হলো বিশেষ ধরনের ঐচ্ছিক বিকল্পটি: ডোরাকাটা চেহারা দেখে ঐচ্ছিক মনে হয়, কিন্তু আমরা ইচ্ছা করে হৃৎস্পন্দন থামাতে বা চালাতে পারি না।
মনে রাখুন: চেহারা ঐচ্ছিকের, স্বভাব অনৈচ্ছিকের: এটাই হৃৎপেশি।
২৪৮. কোন গ্রহের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে অধিক? (৩৫তম বিসিএস, ২০১৫)
- কশুক্র
- খপৃথিবী
- গমঙ্গল
- ঘবুধ
সঠিক উত্তর: ক. শুক্র
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোন গ্রহের তাপমাত্রা বেশি। উত্তর শুক্র, যা সৌরজগতের সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ; এর পৃষ্ঠের তাপমাত্রা চারশো ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি, সিসা গলে যাওয়ার মতো গরম।
কারণ শুক্রের বায়ুমণ্ডল অত্যন্ত ঘন এবং প্রায় পুরোটাই কার্বন ডাই-অক্সাইড। সূর্যের তাপ ঢুকলেও বের হতে পারে না, ফলে তীব্র গ্রিনহাউস প্রভাব তৈরি হয়।
বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছে, কিন্তু তার প্রায় কোনো বায়ুমণ্ডল নেই, তাই তাপ ধরে রাখতে পারে না; দিনের দিক খুব গরম হলেও রাতের দিক ভীষণ ঠান্ডা। মঙ্গল দূরে এবং এর বায়ুমণ্ডল পাতলা, তাই শীতল।
ফাঁদ হলো বুধ: সূর্যের নিকটতম বলে অনেকে একেই সবচেয়ে উত্তপ্ত ভাবেন, কিন্তু এখানে দূরত্ব নয়, বায়ুমণ্ডলই নির্ণায়ক।
মনে রাখুন: সবচেয়ে উত্তপ্ত শুক্র, সূর্যের নিকটতম বুধ: দুটো আলাদা তথ্য।
২৪৯. ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ কি খাদ্য উপাদান গ্রহন করে? (৩৪তম বিসিএস, ২০১৩)
- কফসফরাস
- খনাইট্রোজেন
- গপটাশিয়াম
- ঘসালফার
সঠিক উত্তর: খ. নাইট্রোজেন
ইউরিয়া নাইট্রোজেনঘটিত সার। এর প্রতিটি অণুতে দুটি নাইট্রোজেন পরমাণু থাকে, আর বাণিজ্যিক ইউরিয়ার প্রায় ছেচল্লিশ শতাংশই নাইট্রোজেন; কঠিন সারগুলোর মধ্যে এটি নাইট্রোজেনের সবচেয়ে সমৃদ্ধ উৎসগুলোর একটি।
হিসাবটা দেখুন: ইউরিয়ার আণবিক ভর ষাট, যার মধ্যে দুই নাইট্রোজেনের ভর আটাশ। আটাশকে ষাট দিয়ে ভাগ করলে প্রায় সাতচল্লিশ শতাংশ আসে; বাণিজ্যিক সারে সামান্য অপদ্রব্য থাকায় লেখা হয় ছেচল্লিশ।
নাইট্রোজেন গাছের প্রোটিন ও সবুজ ক্লোরোফিলের উপাদান, তাই ইউরিয়া দিলে পাতা ও কাণ্ড দ্রুত বাড়ে এবং গাছ গাঢ় সবুজ হয়।
অন্য পুষ্টির জন্য অন্য সার: ফসফরাসের জন্য টিএসপি, পটাশিয়ামের জন্য এমওপি, আর সালফারের জন্য জিপসাম। ইউরিয়ার নামের সঙ্গে এগুলো গুলিয়ে ফেলাই এখানে ফাঁদ।
মনে রাখুন: ইউরিয়া নাইট্রোজেন, টিএসপি ফসফরাস, এমওপি পটাশিয়াম, জিপসাম সালফার।
২৫০. পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কি কি থাকে? (৩৪তম বিসিএস, ২০১৩)
- কনিউট্রন ও প্রোটন
- খইলেকট্রন ও প্রোটন
- গনিউট্রন ও পজিট্রন
- ঘইলেকট্রন ও পজিট্রন
সঠিক উত্তর: ক. নিউট্রন ও প্রোটন
পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে খুব ছোট কিন্তু ভারী নিউক্লিয়াস; এতে থাকে ধনাত্মক চার্জের প্রোটন ও চার্জহীন নিউট্রন। পরমাণুর প্রায় সব ভর এই নিউক্লিয়াসেই।
ঋণাত্মক চার্জের ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরে বিভিন্ন শক্তিস্তরে ঘোরে। প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে বলে পুরো পরমাণু নিস্তড়িৎ।
একটি ব্যতিক্রম মনে রাখুন: সাধারণ হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াসে কেবল একটি প্রোটন, কোনো নিউট্রন নেই।
পজিট্রন হলো ইলেকট্রনের প্রতিকণা, ভর ইলেকট্রনের সমান কিন্তু চার্জ ধনাত্মক; এটি সাধারণ পরমাণুর নিউক্লিয়াসের স্থায়ী উপাদান নয়। আর ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের ভেতরে নয়, বাইরে থাকে; এটাই সবচেয়ে সাধারণ ফাঁদ।
মনে রাখুন: নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন, যাদের একসঙ্গে নিউক্লিয়ন বলে; ইলেকট্রন সবসময় বাইরে।
২৫১. রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ কি? (৩৪তম বিসিএস, ২০১৩)
- কঅক্সিজেন পরিবহন করা
- খরোগ প্রতিরোধ করা
- গরক্ত জমাট বাধতে সাহায্য করা
- ঘউপরে উল্লিখিত সব কয়টিই
সঠিক উত্তর: ক. অক্সিজেন পরিবহন করা
হিমোগ্লোবিন লোহিত রক্তকণিকার ভেতরের লৌহঘটিত প্রোটিন। এর প্রধান কাজ অক্সিজেন পরিবহন: ফুসফুসে অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন তৈরি করে, তারপর দেহের কোষে গিয়ে অক্সিজেন ছেড়ে দেয়।
হিমোগ্লোবিনে লোহা থাকে বলে খাবারে লোহার অভাব হলে হিমোগ্লোবিন কমে যায়, যাকে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া বলে; তখন দেহ পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না, ক্লান্তি লাগে।
রক্তের অন্য উপাদানের কাজ আলাদা: শ্বেত রক্তকণিকা রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে লড়ে, আর অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
ফাঁদ হলো ‘সব কয়টিই’। তিনটি কাজই রক্তের, তাই সব মনে হয়; কিন্তু তিনটি কাজ তিনটি ভিন্ন উপাদানের।
মনে রাখুন: লাল কণিকা অক্সিজেন, সাদা কণিকা প্রতিরোধ, অণুচক্রিকা জমাট।
২৫২. সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি? (৩৪তম বিসিএস, ২০১৩)
- ক৪ টি
- খ৬ টি
- গ৫ টি
- ঘ৮ টি
সঠিক উত্তর: খ. ৬ টি
খাদ্যের উপাদান ছয়টি: শর্করা, আমিষ, স্নেহ পদার্থ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি। যে খাবারে এই ছয়টি উপাদান দেহের প্রয়োজনমতো সঠিক পরিমাণে থাকে, তাকে সুষম খাদ্য বলে।
কাজ অনুযায়ী মনে রাখা সহজ: শর্করা ও স্নেহ শক্তি দেয়, আমিষ দেহ গঠন ও ক্ষয়পূরণ করে, ভিটামিন ও খনিজ লবণ রোগ প্রতিরোধ ও দেহের নানা কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, আর পানি হজম, রক্ত সঞ্চালন ও তাপ নিয়ন্ত্রণে লাগে।
উদাহরণ: ভাত, ডাল, মাছ, শাকসবজি, ফল ও পর্যাপ্ত পানি মিলিয়ে খেলে ছয়টি উপাদানই পাওয়া যায়।
ফাঁদ হলো পাঁচটি। পানিকে খাদ্য উপাদান না ধরলে পাঁচ আসে, কিন্তু পানিও খাদ্যের অপরিহার্য উপাদান।
মনে রাখুন: দুই শক্তি, এক গঠন, তিন নিয়ন্ত্রক: মোট ছয়।
২৫৩. ইনসুলিন নিঃসৃত হয় কোথা থেকে? (৩৪তম বিসিএস, ২০১৩)
- কঅগ্ন্যাশয় হতে
- খপ্যানক্রিয়াস হতে
- গলিভার হতে
- ঘপিটুইটারী গ্লান্ড হতে
সঠিক উত্তর: ক. অগ্ন্যাশয় হতে
ইনসুলিন একটি হরমোন, যা অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামের কোষগুচ্ছের বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয়। অগ্ন্যাশয়ের ইংরেজি নামই প্যানক্রিয়াস।
ইনসুলিন রক্তের গ্লুকোজ কোষে ঢুকতে সাহায্য করে এবং বাড়তি গ্লুকোজকে যকৃতে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমায়, ফলে রক্তে গ্লুকোজ কমে। একই কোষগুচ্ছের আলফা কোষ থেকে আসে গ্লুকাগন, যা উল্টো কাজ করে গ্লুকোজ বাড়ায়।
লক্ষ করুন, এই প্রশ্নে প্রথম দুটি বিকল্প আসলে একই অঙ্গ, একটি বাংলায়, একটি ইংরেজিতে। তাই দুটোই তথ্যগতভাবে ঠিক; উত্তরসূচিতে প্রথম বিকল্প অগ্ন্যাশয় ধরা হয়েছে।
ফাঁদ হলো যকৃৎ। যকৃৎ ইনসুলিনের নির্দেশে গ্লুকোজ জমায় ঠিকই, কিন্তু ইনসুলিন তৈরি করে না।
মনে রাখুন: ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ থেকে; বিকল্পে অগ্ন্যাশয় আর প্যানক্রিয়াস একই অঙ্গ।
২৫৪. পানির জীব হয়েও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়- (৩৪তম বিসিএস, ২০১৩)
- কপটকা মাছ
- খহাঙ্গর
- গশুশুক
- ঘজেলী ফিস
সঠিক উত্তর: গ. শুশুক
প্রশ্নটা খুঁজছে এমন জলজ প্রাণী, যে পানিতে থেকেও ফুসফুস দিয়ে বাতাস থেকে শ্বাস নেয়। উত্তর শুশুক, আমাদের নদীর গাঙ্গেয় ডলফিন।
শুশুক মাছ নয়, স্তন্যপায়ী প্রাণী। এর ফুলকা নেই, আছে ফুসফুস; মাথার ওপরের নাসারন্ধ্র দিয়ে শ্বাস নিতে কিছুক্ষণ পর পর পানির ওপরে ভেসে ওঠে। তিমিও একইভাবে শ্বাস নেয়।
মাছেরা ফুলকা দিয়ে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন নেয়; পটকা মাছ ও হাঙর দুটোই মাছ, তাই ফুলকায় শ্বাস নেয়। জেলিফিশের ফুসফুস বা ফুলকা কোনোটিই নেই, এর দেহের পাতলা আবরণ দিয়ে সরাসরি অক্সিজেন ঢোকে।
ফাঁদ হলো পটকা মাছ। বিপদে এটি পানি বা বাতাস গিলে বেলুনের মতো ফুলে ওঠে, তাই অনেকে ভাবেন বাতাসে শ্বাস নেয়; কিন্তু এটা আত্মরক্ষার কৌশল, শ্বাস নয়।
মনে রাখুন: পানির স্তন্যপায়ী, যেমন শুশুক, তিমি, ডলফিন, সবাই ফুসফুসে বাতাস থেকে শ্বাস নেয়।
২৫৫. অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত সুগার হল- (৩৪তম বিসিএস, ২০১৩)
- কগ্লাইকোজেন
- খগ্লুকোজ
- গফ্রুক্টোজ (Fructose)
- ঘসুক্রোজ
সঠিক উত্তর: ক. গ্লাইকোজেন
খাবারের অতিরিক্ত গ্লুকোজ যকৃৎ ও পেশিতে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা থাকে। গ্লাইকোজেন হলো অনেকগুলো গ্লুকোজ অণু শাখা প্রশাখায় জুড়ে তৈরি বড় অণু, একে প্রাণিজ শ্বেতসারও বলা হয়।
ইনসুলিনের প্রভাবে খাওয়ার পর বাড়তি গ্লুকোজ গ্লাইকোজেনে রূপ নেয়। উপোস বা পরিশ্রমের সময় যকৃৎ গ্লাইকোজেন ভেঙে আবার গ্লুকোজ বানিয়ে রক্তে ছাড়ে, ফলে রক্তের চিনি স্থির থাকে।
উদ্ভিদ একই কাজ করে শ্বেতসার বা স্টার্চ দিয়ে; প্রাণীর ভাণ্ডার গ্লাইকোজেন। এজন্যই নাম প্রাণিজ শ্বেতসার।
ফাঁদ হলো গ্লুকোজ। গ্লুকোজ রক্তে ঘুরে বেড়ানো সরল চিনি, জমা রাখার রূপ নয়; জমা হয় গ্লাইকোজেন হিসেবে।
মনে রাখুন: উদ্ভিদের ভাঁড়ারে স্টার্চ, প্রাণীর ভাঁড়ারে গ্লাইকোজেন।
২৫৬. প্রাণী জগতের উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে বলে- (৩৪তম বিসিএস, ২০১৩)
- কজুওলজী
- খবায়োলজী
- গইভোলিউশন
- ঘজেনেটিক্স
সঠিক উত্তর: ঘ. জেনেটিক্স
প্রশ্নের বাক্যাংশ ‘উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যা’। প্রচলিত উত্তরসূচিতে এর উত্তর ধরা হয়েছে জেনেটিক্স, অর্থাৎ বংশগতিবিদ্যা।
জেনেটিক্স পড়ে কীভাবে পিতামাতার বৈশিষ্ট্য জিনের মাধ্যমে সন্তানে যায়, আর একই বংশে কেন ভিন্নতা দেখা যায়। গ্রেগর মেন্ডেলকে বংশগতিবিদ্যার জনক বলা হয়। ‘বংশ’ শব্দটি এই বিদ্যার সঙ্গেই সরাসরি মেলে।
তবে মনে রাখা দরকার, জীবের উৎপত্তি ও প্রজাতির ধীরে ধীরে পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করে বিবর্তনবিদ্যা বা ইভোলিউশন; চার্লস ডারউইনের ‘অরিজিন অব স্পিশিস’ এর ভিত্তি। তাই ‘উৎপত্তি’ শব্দের জোর দেখলে ইভোলিউশনও যুক্তিসংগত, আর কিছু গাইডে উত্তর তাই।
জুওলজি বা প্রাণিবিদ্যা প্রাণীর সব দিক পড়ে, আর বায়োলজি বা জীববিজ্ঞান সব জীবের; প্রশ্নের নির্দিষ্ট বিষয়ের জন্য দুটোই খুব বিস্তৃত।
মনে রাখুন: ‘বংশ’ বা ‘বংশগতি’ দেখলে জেনেটিক্স; ‘ক্রমবিকাশ’ বা ‘প্রজাতির উৎপত্তি’ দেখলে ইভোলিউশন।
২৫৭. কোন খাদ্যে প্রোটিন বেশি? (৩৪তম বিসিএস, ২০১৩)
- কভাত
- খগরুর মাংস
- গমসুর ডাল
- ঘময়দা
সঠিক উত্তর: গ. মসুর ডাল
প্রশ্নটা আমিষ বা প্রোটিনের উৎস তুলনা করছে। প্রচলিত উত্তর মসুর ডাল; ডালকে তাই ‘গরিবের মাংস’ বলা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের পুষ্টি তথ্যভান্ডার অনুযায়ী প্রতি একশো গ্রাম শুকনো কাঁচা মসুর ডালে প্রায় চব্বিশ দশমিক ছয় গ্রাম আমিষ থাকে। কাঁচা মাংসে পানি ও চর্বি বেশি থাকায় ওজনপ্রতি আমিষ অংশভেদে কম বেশি হয়; চর্বিযুক্ত কিমায় প্রায় চোদ্দো গ্রামের মতো।
চাল ও ময়দা শস্যদানা, এদের প্রধান উপাদান শর্করা; আমিষ ডালের তুলনায় অনেক কম।
সতর্কতা: তুলনাটা শুকনো ডাল ও কাঁচা মাংসের। রান্না করা ডাল পানি শুষে নেয় বলে তাতে ওজনপ্রতি আমিষ অনেক কমে যায়, আর চর্বিহীন মাংসে আমিষ ডালের কাছাকাছি। তাই গরুর মাংসকে ফাঁদ বলা যায়, তবে পরীক্ষার উত্তর মসুর ডাল।
মনে রাখুন: উদ্ভিজ্জ আমিষের সেরা উৎস ডাল ও সয়াবিন; প্রশ্নে ডাল থাকলে প্রচলিত উত্তর ডাল।
২৫৮. হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে- (৩৪তম বিসিএস, ২০১৩)
- কআয়োডিন
- খআয়রন
- গম্যাগনেসিয়াম
- ঘক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
সঠিক উত্তর: ঘ. ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
হাড় ও দাঁতের শক্ত অংশ মূলত ক্যালসিয়াম ফসফেট দিয়ে তৈরি। তাই হাড় ও দাঁত মজবুত রাখতে দুটি খনিজ সবচেয়ে বেশি দরকার: ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস।
দুধ, ছোট মাছ যা কাঁটাসহ খাওয়া যায়, ডিম ও সবুজ শাক এদের ভালো উৎস। খাবারের ক্যালসিয়াম অন্ত্র থেকে শোষণে সাহায্য করে ভিটামিন ডি, যা রোদে ত্বকে তৈরি হয়।
অভাব হলে শিশুদের হাড় নরম ও বাঁকা হয়ে রিকেটস হয়, আর বড়দের হাড় পাতলা ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।
অন্য বিকল্পগুলোর কাজ আলাদা: আয়োডিন থাইরয়েড হরমোনের উপাদান, অভাবে গলগণ্ড হয়; আয়রন হিমোগ্লোবিনের উপাদান, অভাবে রক্তস্বল্পতা হয়। ম্যাগনেসিয়ামও হাড়ে কিছুটা থাকে, তবে হাড় ও দাঁতের প্রধান খনিজ জুটি ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস।
মনে রাখুন: হাড়ে ক্যালসিয়াম ফসফেট, রক্তে আয়রন, থাইরয়েডে আয়োডিন।
২৫৯. ডায়াবেটিস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যটি সঠিক নয় তা হল- (৩৪তম বিসিএস, ২০১৩)
- কএ রোগে মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে
- খচিনি জাতীয় খাবার খেলে এ রোগ হয়
- গএ রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
- ঘইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয়
সঠিক উত্তর: খ. চিনি জাতীয় খাবার খেলে এ রোগ হয়
প্রশ্নটা খুঁজছে ডায়াবেটিস নিয়ে ভুল তথ্যটি। উত্তর: চিনি জাতীয় খাবার খেলে এ রোগ হয়, কথাটি সঠিক নয়। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় চিকিৎসা গ্রন্থাগারের মেডলাইনপ্লাস স্পষ্ট বলে, চিনি খাওয়া ডায়াবেটিসের কারণ নয়।
ডায়াবেটিস হয় যখন অগ্ন্যাশয় যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করে না, অথবা দেহ ইনসুলিন ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারে না। ফলে গ্লুকোজ কোষে ঢুকতে না পেরে রক্তে বেড়ে যায়। তাই ইনসুলিনের অভাব ও রক্তে গ্লুকোজ বৃদ্ধি, দুটো কথাই ঠিক।
দীর্ঘদিন রক্তে গ্লুকোজ বেশি থাকলে কিডনির সূক্ষ্ম রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাই কিডনি নষ্ট হওয়ার তথ্যটিও ঠিক।
তবে মিষ্টি অবাধে খাওয়া নিরাপদ নয়: বেশি চিনি ওজন বাড়ায়, আর বাড়তি ওজন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। চিনি সরাসরি কারণ নয়, পরোক্ষ ঝুঁকি; এখানেই প্রশ্নের সূক্ষ্মতা।
মনে রাখুন: ‘সঠিক নয়’ ধরনের প্রশ্নে প্রতিটি বিকল্পকে আলাদা করে সত্য মিথ্যা যাচাই করুন; জনপ্রিয় ভুল ধারণাটিই সাধারণত উত্তর।
২৬০. নবায়নযোগ্য জ্বালানী কোনটি? (৩৪তম বিসিএস, ২০১৩)
- কপরমাণু শক্তি
- খকয়লা
- গপেট্রোল
- ঘপ্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর: ক. পরমাণু শক্তি
প্রশ্নটা নবায়নযোগ্য জ্বালানি চিনতে চেয়েছে। নবায়নযোগ্য মানে যে উৎস প্রকৃতিতে নিজে থেকেই আবার তৈরি হয় বা ফুরায় না, যেমন সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ ও জৈববস্তু।
কয়লা, পেট্রোল ও প্রাকৃতিক গ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানি। লক্ষ লক্ষ বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়া উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে এগুলো তৈরি, তাই একবার খরচ হলে মানুষের সময়সীমায় আর ফিরে আসে না।
বাকি থাকে পরমাণু শক্তি, তাই প্রচলিত গাইডগুলো এটিকেই উত্তর ধরে। যুক্তি হলো, এটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয় এবং অল্প পরিমাণ জ্বালানি থেকে বিপুল শক্তি পাওয়া যায়।
তবে কঠোর অর্থে পারমাণবিক জ্বালানি ইউরেনিয়াম একটি খনিজ, এর মজুতও সীমিত; যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের মতো সংস্থা একে অনবায়নযোগ্য উৎসের তালিকায় রাখে। এই প্রশ্নে কৌশল হলো তিনটি জীবাশ্ম জ্বালানি বাদ দিয়ে বাকিটি বেছে নেওয়া।
মনে রাখুন: চারটির তিনটি জীবাশ্ম জ্বালানি হলে বাকিটিই উত্তর।