বাংলা ভাষা ও সাহিত্য · পাতা ১৭
৩২১. কবি যশোরাজ খান বৈষ্ণবপদ রচনা করেন কোন ভাষায়? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কব্রজবুলি
- খবাংলা
- গসংস্কৃত
- ঘহিন্দি
সঠিক উত্তর: ক. ব্রজবুলি
প্রশ্নটি কবি যশোরাজ খানের পদের ভাষা জানতে চেয়েছে। তিনি বৈষ্ণব পদ রচনা করেন ব্রজবুলি ভাষায়, এবং তাঁকে ব্রজবুলিতে পদ রচনাকারী প্রথম মুসলমান কবি ধরা হয়।
ব্রজবুলি কোনো অঞ্চলের মুখের ভাষা নয়। মৈথিলি আর বাংলার মিশ্রণে তৈরি এই কৃত্রিম সাহিত্যভাষায় মধ্যযুগের বৈষ্ণব কবিরা রাধা ও কৃষ্ণের লীলা নিয়ে পদ লিখতেন। বিদ্যাপতির পদের প্রভাবে এই ভাষার প্রসার ঘটে।
যশোরাজ খান সুলতান হোসেন শাহের আমলের কবি। ব্রজবুলিতে আরও লিখেছেন গোবিন্দদাস, আর আধুনিক যুগে রবীন্দ্রনাথ ভানুসিংহ নামে।
ফাঁদ হলো বাংলা। বৈষ্ণব পদের বড় অংশ বাংলায় লেখা হলেও যশোরাজ খানের পরিচিতি ব্রজবুলির কবি হিসেবেই।
মনে রাখুন: ব্রজবুলির প্রথম মুসলমান কবি যশোরাজ খান; ব্রজবুলির প্রধান কবি বিদ্যাপতি ও গোবিন্দদাস।
৩২২. নিচের কোন জন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কদৌলত উজির বাহরাম খাঁ
- খসাবিরিদ খাঁ
- গসৈয়দ সুলতান
- ঘসৈয়দ নূরুদ্দীন
সঠিক উত্তর: ঘ. সৈয়দ নূরুদ্দীন
মধ্যযুগে মুসলিম কবিরা কারবালার যুদ্ধ আর ইসলামের প্রথম যুগের বীরদের কাহিনি নিয়ে অনেক কাব্য লেখেন, এগুলোকে যুদ্ধকাব্য বা জঙ্গনামা বলে। প্রশ্নটা চায় কোন কবি এই ধারায় লেখেননি।
দৌলত উজির বাহরাম খান কারবালার কাহিনি নিয়ে লেখেন ইমাম বিজয়, যা জঙ্গনামা নামেও পরিচিত। সাবিরিদ খানের হানিফা ও কয়রাপরী এবং সৈয়দ সুলতানের জয়কুম রাজার লড়াই, দুটোই যুদ্ধকাব্য।
সৈয়দ নূরুদ্দীন ধর্মতত্ত্ব ও নীতিশিক্ষামূলক কাব্য লিখেছেন, যেমন রাহাতুল কুলুব। যুদ্ধকাব্যের সাথে তাঁর নাম নেই, তাই তিনিই উত্তর।
ফাঁদ হলো দৌলত উজির বাহরাম খান। তিনি লাইলী মজনুর জন্য বেশি পরিচিত, তাই অনেকে ভাবেন তিনি শুধু প্রণয়কাব্যের কবি; কিন্তু তাঁর ইমাম বিজয় যুদ্ধকাব্য।
মনে রাখুন: ‘লড়াই’, ‘জঙ্গ’, ‘বিজয়’, ‘হানিফা’ নামের কাব্য প্রায় সবসময় যুদ্ধকাব্য।
৩২৩. কোনটি কবি জৈনুদ্দিনের কাব্যগ্রন্থ? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- করসুল বিজয়
- খমক্কা বিজয়
- গরসুলচরিত
- ঘমক্কানামা
সঠিক উত্তর: ক. রসুল বিজয়
প্রশ্নটি মধ্যযুগের মুসলমান কবি জৈনুদ্দিনের কাব্য জানতে চেয়েছে। তাঁর কাব্যের নাম ‘রসুল বিজয়’। তিনি গৌড়ের সুলতান ইউসুফ শাহের সভাকবি ছিলেন।
রসুল বিজয় যুদ্ধবিষয়ক কাহিনিকাব্য, যেখানে রসুলের বীরত্ব ও বিজয়ের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে।
মধ্যযুগের মুসলমান কবিদের কাব্য জোড়ায় মনে রাখুন: শাহ মুহম্মদ সগীরের ইউসুফ-জোলেখা, দৌলত কাজীর সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী, আলাওলের পদ্মাবতী, আর জৈনুদ্দিনের রসুল বিজয়।
ফাঁদ হলো বাকি বিকল্পগুলো একই রকম শব্দ দিয়ে বানানো: রসুল, মক্কা, বিজয়। শুধু ‘রসুল’ আর ‘বিজয়’ একসঙ্গে যে নামে আছে, সেটিই জৈনুদ্দিনের।
মনে রাখুন: জৈনুদ্দিন মানেই রসুল বিজয়, আর পৃষ্ঠপোষক ইউসুফ শাহ।
৩২৪. 'বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ' গ্রন্থের রচয়িতা কে? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কবিনয় ঘোষ
- খসুবিনয় ঘোষ
- গবিনয় ভট্টাচার্য
- ঘবিনয় বর্মণ
সঠিক উত্তর: ক. বিনয় ঘোষ
প্রশ্নটা গ্রন্থ ও লেখক মেলানোর। বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ গ্রন্থটি লিখেছেন বিনয় ঘোষ।
বিনয় ঘোষ ছিলেন বাংলার সমাজ-ইতিহাস ও সংস্কৃতির গবেষক। এই গ্রন্থে তিনি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কাজকে উনিশ শতকের বাঙালি সমাজের পটভূমিতে বিশ্লেষণ করেছেন; বইটি কয়েক খণ্ডে প্রকাশিত।
তাঁর আরও কিছু পরিচিত বই হলো পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি, বাংলার নবজাগৃতি এবং বিদ্রোহী ডিরোজিও। তিনি কালপেঁচা ছদ্মনামেও লিখতেন।
বাকি অপশনগুলোতে নামের প্রথম অংশ বিনয় বা তার কাছাকাছি রেখে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। পুরো নাম বিনয় ঘোষ মনে রাখলেই এই ফাঁদ এড়ানো যায়।
মনে রাখুন: ‘বিনয়’ নামের অপশনের ভিড়ে পুরো নাম মেলান: বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ = বিনয় ঘোষ।
৩২৫. প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা কে? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- করাজা রামমোহন রায়
- খঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- গমৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
- ঘবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর: খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
প্রশ্নটি বাংলা গদ্যের ইতিহাস নিয়ে: কে প্রথম গদ্যকে সাহিত্যের শিল্পিত রূপ দিয়েছেন। প্রচলিত উত্তর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক এবং প্রথম সার্থক গদ্যশিল্পী বলা হয়।
বিদ্যাসাগরের আগেও বাংলা গদ্য ছিল, কিন্তু তা ছিল মূলত পাঠ্যবই বা যুক্তিতর্কের গদ্য। বিদ্যাসাগর যতিচিহ্নের সার্থক ব্যবহার, বাক্যের সুষম গঠন আর ছন্দময় প্রবাহ দিয়ে গদ্যকে সাহিত্যের মর্যাদা দেন। তাঁর ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত।
অন্যদের অবদান আলাদা। মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত, ‘বত্রিশ সিংহাসন’ ১৮০২। রাজা রামমোহন রায় যুক্তিনির্ভর প্রবন্ধ ও অনুবাদে গদ্য ব্যবহার করেন, ‘বেদান্ত গ্রন্থ’ ১৮১৫। বঙ্কিমচন্দ্র এসেছেন পরে, প্রথম সার্থক উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ ১৮৬৫।
ফাঁদ হলো মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকদের মধ্যে তাঁর গদ্য সবচেয়ে সাবলীল বলে তাঁর নাম মনে আসে, কিন্তু সেটি ছিল পাঠ্যবইয়ের গদ্য; গদ্যকে সাহিত্যের শিল্পরূপ দেন বিদ্যাসাগর।
মনে রাখুন: বাংলা গদ্যের জনক ও প্রথম শিল্পী বিদ্যাসাগর; যতিচিহ্নের সার্থক প্রয়োগ তাঁর হাতে।
৩২৬. প্যারীচাঁদ মিত্রের 'আলালের ঘরের দুলাল' প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় কত সালে? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- ক১৮৫৮ সালে
- খ১৯৭৮ সালে
- গ১৮৪৮ সালে
- ঘ১৮৬৮ সালে
সঠিক উত্তর: ক. ১৮৫৮ সালে
প্রশ্নটি ‘আলালের ঘরের দুলাল’ গ্রন্থাকারে প্রকাশের সাল জানতে চেয়েছে। উত্তর ১৮৫৮ সাল। লেখক প্যারীচাঁদ মিত্র, ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর।
রচনাটি আগে ‘মাসিক পত্রিকা’য় ধারাবাহিকভাবে বের হয়, তারপর ১৮৫৮ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়। এটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস ধরা হয়, আর এর চলিতঘেঁষা ভাষাকে বলা হয় আলালি ভাষা।
কাছাকাছি সময়ের অন্য মাইলফলক: ১৮৬২ সালে কালীপ্রসন্ন সিংহের ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’, যার ভাষা হুতোমি ভাষা; আর ১৮৬৫ সালে বঙ্কিমচন্দ্রের ‘দুর্গেশনন্দিনী’, প্রথম সার্থক উপন্যাস।
ফাঁদ হলো ১৮৪৮ আর ১৮৬৮, যেগুলোতে শেষের অঙ্ক একই রেখে দশক বদলানো হয়েছে। আর ১৯৭৮ তো একশো বছরেরও বেশি পরের।
মনে রাখুন: প্রথম উপন্যাস আলাল ১৮৫৮, প্রথম সার্থক উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী ১৮৬৫।
৩২৭. শচীন, দামিনী ও শ্রীবিলাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন উপন্যাসের চরিত্র? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কচতুরঙ্গ
- খচার অধ্যায়
- গনৌকাডুবি
- ঘঘরে বাইরে
সঠিক উত্তর: ক. চতুরঙ্গ
প্রশ্নটি রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসের চরিত্র চিনতে চেয়েছে। শচীশ, দামিনী ও শ্রীবিলাস ‘চতুরঙ্গ’ উপন্যাসের চরিত্র, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত। প্রশ্নে নামটি শচীন লেখা হয়েছে, উপন্যাসে চরিত্রটির নাম শচীশ।
চতুরঙ্গ চারটি অংশে বিভক্ত: জ্যাঠামশায়, শচীশ, দামিনী আর শ্রীবিলাস। কাহিনি বর্ণনা করে শ্রীবিলাস, তার বন্ধু শচীশের আধ্যাত্মিক অনুসন্ধান আর বিধবা দামিনীর জীবন নিয়ে।
রবীন্দ্রনাথের অন্য উপন্যাসের চরিত্রও মনে রাখুন। চার অধ্যায়ে এলা ও অতীন, নৌকাডুবিতে রমেশ, কমলা ও হেমনলিনী, ঘরে বাইরেতে নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপ।
চার অধ্যায় নামটি চতুরঙ্গের চার অংশের সঙ্গে মিলে যায় বলে এটিই প্রধান ফাঁদ।
মনে রাখুন: চতুরঙ্গের চার অংশের নামই চার চরিত্র: জ্যাঠামশায়, শচীশ, দামিনী, শ্রীবিলাস।
৩২৮. 'তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষাগরু'- এই কবিতাংশটির রচয়িতা কে? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- করঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
- খঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- গহেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
- ঘঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
সঠিক উত্তর: ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
প্রশ্নের পঙ্ক্তিটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের লেখা। তিনি ব্যঙ্গ ও কৌতুকের কবিতার জন্য বিখ্যাত, আর মা কল্পতরু আর পোষা গরুর এই তুলনায় সেই চেনা ব্যঙ্গের সুরই শোনা যায়।
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক। তাঁকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়, কারণ তাঁর কবিতায় মধ্যযুগের রীতি আর আধুনিক যুগের বিষয় দুটোই আছে। তাঁর আরেকটি বিখ্যাত পঙ্ক্তি: কতরূপ স্নেহ করি, দেশের কুকুর ধরি, বিদেশের ঠাকুর ফেলিয়া।
বাকি কবিদের পরিচয় আলাদা। রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন ‘পদ্মিনী উপাখ্যান’, যার বিখ্যাত চরণ ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে’। হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের মহাকাব্য ‘বৃত্রসংহার’। আর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর গদ্যকার হিসেবে বিখ্যাত, কবি হিসেবে নন।
ফাঁদ হলো দুই ঈশ্বরচন্দ্র। একই নামের কারণে বিদ্যাসাগর আর গুপ্ত গুলিয়ে যায়; কবিতা মানে গুপ্ত, গদ্য মানে বিদ্যাসাগর।
মনে রাখুন: দুই ঈশ্বরচন্দ্র: কবিতায় গুপ্ত, গদ্যে বিদ্যাসাগর।
৩২৯. মীর মশাররফ হোসেনের কোন গ্রন্থের উপজীব্য হিন্দু-মুসলমানের বিরোধ? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কগো-জীবন
- খইসলামের জয়
- গএর উপায় কী
- ঘবসন্তকুমারী নাটক
সঠিক উত্তর: ক. গো-জীবন
প্রশ্নটি মীর মশাররফ হোসেনের কোন রচনার বিষয় হিন্দু ও মুসলমানের বিরোধ, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর ‘গো-জীবন’, ১৮৮৯ সালে প্রকাশিত প্রবন্ধ।
গো-জীবনে তিনি গরু কোরবানি ও গোহত্যা নিয়ে দুই সম্প্রদায়ের বিরোধের প্রসঙ্গে সম্প্রীতির পক্ষে মত দেন। এই অবস্থানের কারণে তিনি নিজ সমাজের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন।
মীর মশাররফ হোসেনের অন্য রচনাগুলোর বিষয় আলাদা। ‘বসন্তকুমারী নাটক’ তাঁর প্রথম নাটক, ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত। ‘এর উপায় কি’ একটি প্রহসন; বিকল্পে নামটি ‘এর উপায় কী’ ছাপা, মূল নামে ‘কি’। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত রচনা কারবালার কাহিনি নিয়ে উপন্যাস ‘বিষাদ-সিন্ধু’।
ফাঁদ হলো ‘ইসলামের জয়’। নাম দেখে ধর্মীয় বিরোধের বই মনে হতে পারে, কিন্তু হিন্দু ও মুসলমানের বিরোধ নিয়ে তাঁর আলোচিত রচনা গো-জীবন।
মনে রাখুন: গরু নিয়ে বিরোধ, তাই গো-জীবন।
৩৩০. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত বয়সে ছোটগল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- ক১০ বছর
- খ১২ বছর
- গ১৪ বছর
- ঘ১৬ বছর
সঠিক উত্তর: ঘ. ১৬ বছর
প্রশ্নটি রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পকার জীবনের সূচনা নিয়ে। তাঁর প্রথম ছোটগল্প ভিখারিণী, যা ১৮৭৭ সালে ভারতী পত্রিকায় ছাপা হয়।
রবীন্দ্রনাথের জন্ম ১৮৬১ সালে। তাই ১৮৭৭ সালে তাঁর বয়স ছিল ১৬ বছর; এই বয়সেই ছোটগল্পকার হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ।
এ ধরনের প্রশ্নে দুটি সাল মনে রাখলেই চলে: জন্মসাল আর প্রথম গল্প প্রকাশের সাল। বিয়োগ করলেই বয়স বেরিয়ে আসে।
বাকি বয়সগুলো কোনো গল্প প্রকাশের সালের সঙ্গে মেলে না; ১০, ১২ বা ১৪ বছর বয়সে তাঁর কোনো ছোটগল্প ছাপা হয়নি।
মনে রাখুন: ভিখারিণী ১৮৭৭, জন্ম ১৮৬১; বিয়োগ করলেই ১৬।
৩৩১. নিচের কোনটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পগ্রন্থ নয়? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কইছামতি
- খমেঘমল্লার
- গমৌরিফুল
- ঘযাত্রাবদল
সঠিক উত্তর: ক. ইছামতি
প্রশ্নটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস আর গল্পগ্রন্থ আলাদা করতে বলছে। ইছামতী তাঁর উপন্যাস, গল্পগ্রন্থ নয়; এর জন্য তিনি মৃত্যুর পর রবীন্দ্র পুরস্কার পান।
মেঘমল্লার, মৌরীফুল ও যাত্রাবদল তিনটিই তাঁর ছোটগল্পের সংকলন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলো পথের পাঁচালী, অপরাজিত, আরণ্যক, আদর্শ হিন্দু হোটেল ও ইছামতী।
মনে রাখার উপায়: উপন্যাসের ছোট তালিকাটি মুখস্থ রাখলে বাকি নামগুলো সহজেই গল্পগ্রন্থ হিসেবে আলাদা হয়ে যায়। ইছামতী একটি নদীর নাম, আর উপন্যাসটিও ইছামতী নদীতীরের গ্রামজীবন নিয়ে লেখা।
সঠিক বানান ইছামতী, শেষে দীর্ঘ ঈ-কার। মেঘমল্লার একটি রাগের নাম বলে অনেকে একে উপন্যাস ভেবে ভুল করেন, কিন্তু এটি গল্পগ্রন্থ।
মনে রাখুন: বিভূতিভূষণের উপন্যাস: পথের পাঁচালী, অপরাজিত, আরণ্যক, ইছামতী, আদর্শ হিন্দু হোটেল; বাকিগুলো সাধারণত গল্পগ্রন্থ।
৩৩২. 'আমার পথ' প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কযুগ-বাণী
- খরুদ্র-মঙ্গল
- গদুর্দিনের যাত্রী
- ঘরাজবন্দির জবানবন্দি
সঠিক উত্তর: খ. রুদ্র-মঙ্গল
প্রশ্নটি নজরুলের একটি প্রবন্ধের উৎসগ্রন্থ জানতে চেয়েছে। আমার পথ প্রবন্ধটি তাঁর রুদ্র-মঙ্গল প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে নেওয়া।
এ প্রবন্ধে নজরুল বলেন, তাঁর পথ দেখাবে তাঁর নিজের সত্য; অন্যের অনুকরণ নয়, আত্মবিশ্বাস আর সত্যনিষ্ঠাই মানুষকে এগিয়ে নেয়।
নজরুলের প্রবন্ধগ্রন্থ চারটি নাম একসঙ্গে মনে রাখুন: যুগবাণী, রাজবন্দীর জবানবন্দী, দুর্দিনের যাত্রী ও রুদ্র-মঙ্গল। এর মধ্যে যুগবাণী ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।
ফাঁদ হলো চারটি বিকল্পই নজরুলের গদ্যরচনা। তাই শুধু লেখক চিনলে হবে না, কোন প্রবন্ধ কোন বইয়ে আছে সেটা জানতে হবে।
মনে রাখুন: আমার পথ মানেই রুদ্র-মঙ্গল; প্রবন্ধটি পাঠ্যবইয়েও আছে।
৩৩৩. 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে মোতাহের হোসেন চৌধুরী কাকে তপোবন-প্রেমিক বলেছেন? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কবিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে
- খজসীম উদ্দীনকে
- গরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
- ঘশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে
সঠিক উত্তর: গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
প্রশ্নটা মোতাহের হোসেন চৌধুরীর প্রবন্ধ জীবন ও বৃক্ষ থেকে। প্রবন্ধটি তাঁর সংস্কৃতি কথা গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, আর এতে বৃক্ষকে মানুষের বিকশিত জীবনের প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে।
এই প্রবন্ধে লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তপোবন-প্রেমিক বলেছেন। তপোবন মানে প্রাচীন ভারতের ঋষিদের বনের আশ্রম, যেখানে প্রকৃতির মাঝে সাধনা ও শিক্ষা চলত।
রবীন্দ্রনাথ এই তপোবনের আদর্শে শান্তিনিকেতনে খোলা প্রকৃতির মাঝে শিক্ষার আয়োজন করেছিলেন, আর বৃক্ষ নিয়ে তাঁর বহু লেখা আছে। তাই এই বিশেষণ তাঁর জন্যই মানানসই।
ফাঁদ হলো বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অরণ্য আর প্রকৃতি নিয়ে লেখার জন্য তাঁকে মনে পড়তে পারে, কিন্তু এই প্রবন্ধে তপোবন-প্রেমিক বলা হয়েছে রবীন্দ্রনাথকে।
মনে রাখুন: তপোবন শব্দ দেখলেই শান্তিনিকেতন আর রবীন্দ্রনাথের কথা ভাবুন।
৩৩৪. 'আমি যখন জেলে যাই তখন ওর বয়স মাত্র কয়েক মাস।'- এখানে 'ওর' বলতে শেখ মুজিবুর রহমান কাকে বুঝিয়েছেন? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কশেখ নাসেরকে
- খশেখ কামালকে
- গশেখ হাসিনাকে
- ঘশেখ রেহেনাকে
সঠিক উত্তর: খ. শেখ কামালকে
উদ্ধৃতিটি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী থেকে। সেখানে তিনি লিখেছেন, ছোট্ট কামাল তাঁকে চিনত না, হাসিনাকে বলেছিল তোমার আব্বাকে আমি একটু আব্বা বলি।
এর কারণ, শেখ কামালের জন্ম ১৯৪৯ সালে, আর তাঁর বয়স যখন মাত্র কয়েক মাস, তখনই বঙ্গবন্ধু কারাগারে যান এবং দীর্ঘদিন বন্দি থাকেন। তাই এখানে ওর বলতে শেখ কামালকে বোঝানো হয়েছে।
শেখ হাসিনার জন্ম ১৯৪৭ সালে, তিনি তখন বাবাকে চিনতেন ও আব্বা বলে ডাকতেন। শেখ রেহানার জন্ম ১৯৫৫ সালে, ঘটনাটির অনেক পরে।
শেখ নাসের বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই, সন্তান নন; তাই তাঁর বয়স কয়েক মাস হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
মনে রাখুন: জন্মসাল মিলিয়ে দেখুন: জেলে যাওয়ার সময় যিনি কয়েক মাসের শিশু, তিনিই উত্তর।
৩৩৫. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস জন্মগ্রহণ করেন কোথায়? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কগাইবান্ধায়
- খবগুড়ায়
- গঢাকায়
- ঘসিরাজগঞ্জে
সঠিক উত্তর: ক. গাইবান্ধায়
প্রশ্নটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের জন্মস্থান জানতে চেয়েছে। তিনি ১৯৪৩ সালে গাইবান্ধা জেলার গোটিয়া গ্রামে মামাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর পৈতৃক বাড়ি বগুড়ায়। জন্মস্থান আর পৈতৃক নিবাস আলাদা হওয়ায় এই প্রশ্নে ভুলের সুযোগ বেশি।
ইলিয়াসের দুটি উপন্যাসই বিখ্যাত: চিলেকোঠার সেপাই, যার পটভূমি উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, আর খোয়াবনামা। তাঁর গল্পগ্রন্থের মধ্যে অন্য ঘরে অন্য স্বর ও দুধভাতে উৎপাত পরিচিত।
সবচেয়ে বড় ফাঁদ বগুড়া, কারণ সেটি তাঁর পৈতৃক নিবাস। ঢাকায় তিনি শিক্ষকতা করেছেন ও জীবনের বড় অংশ কাটিয়েছেন, কিন্তু জন্ম সেখানে নয়।
মনে রাখুন: জন্মস্থানের প্রশ্নে পৈতৃক বাড়ি আর মামাবাড়ি গুলিয়ে ফেলবেন না; ইলিয়াসের জন্ম মামাবাড়ি গাইবান্ধায়।
৩৩৬. মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত 'অমিত্রাক্ষর ছন্দ' প্রকৃত পক্ষে বাংলা কোন ছন্দের নব-রূপায়ণ? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কস্বরবৃত্ত ছন্দ
- খঅক্ষরবৃত্ত ছন্দ
- গমাত্রাবৃত্ত ছন্দ
- ঘগৈরিশ ছন্দ
সঠিক উত্তর: খ. অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
প্রশ্নটি মধুসূদনের অমিত্রাক্ষর ছন্দের ভিত্তি জানতে চেয়েছে। অমিত্রাক্ষর আসলে অক্ষরবৃত্ত ছন্দের, বিশেষ করে চৌদ্দ মাত্রার পয়ারের, নতুন রূপ।
পয়ারে দুই চরণের শেষে মিল থাকে এবং চরণের শেষে ভাবও থামে। মধুসূদন মাত্রার কাঠামো একই রেখে অন্ত্যমিল তুলে দেন, আর ভাবকে এক চরণ থেকে পরের চরণে প্রবাহিত হতে দেন; একে বলে প্রবহমানতা।
পূর্ণাঙ্গ কাব্যে তিনি প্রথম এ ছন্দ ব্যবহার করেন তিলোত্তমাসম্ভব কাব্যে, আর পূর্ণতা দেন মেঘনাদবধ কাব্যে। তাই অমিত্রাক্ষর মানে মিলহীন, প্রবহমান অক্ষরবৃত্ত।
গৈরিশ ছন্দ দেখে অনেকে বিভ্রান্ত হন। এটি গিরিশচন্দ্র ঘোষের নাটকের ভাঙা অমিত্রাক্ষর, যা নিজেই অমিত্রাক্ষর থেকে এসেছে; উৎস নয়, উত্তরসূরি।
মনে রাখুন: অমিত্রাক্ষর = অক্ষরবৃত্ত পয়ার − অন্ত্যমিল + প্রবহমানতা।
৩৩৭. 'বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কসৈয়দ শামসুল হক
- খশামসুর রাহমান
- গহাসান হাফিজুর রহমান
- ঘআহসান হাবীব
সঠিক উত্তর: খ. শামসুর রাহমান
প্রশ্নটা বাংলাদেশের আধুনিক কবিতার প্রধান কবিদের কাব্যগ্রন্থ চেনা যাচাই করছে। ‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়’ শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ।
শামসুর রাহমান স্বাধীনতা ও দেশপ্রেমের কবি হিসেবে পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের সময় লেখা ‘বন্দী শিবির থেকে’ তাঁর আরেকটি বিখ্যাত কাব্য, আর ‘স্বাধীনতা তুমি’ তাঁর বিখ্যাত কবিতা।
নামের মধ্যে বাংলাদেশ ও হৃদয়ের কথা থাকায় মনে রাখতে পারেন, দেশকে নিয়ে শামসুর রাহমানের কবিতার ধারার সঙ্গে এটি মেলে।
ফাঁদ হলো সৈয়দ শামসুল হক, কারণ দুই নামেই ‘শামসু’ অংশ আছে। সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত কাব্য ‘পরাণের গহীন ভিতর’।
৩৩৮. 'দুর্দিনের দিনলিপি' স্মৃতিগ্ৰন্থটি কার লেখা? (৪৫তম বিসিএস, ২০২৩)
- কআবুল ফজল
- খআবদুল কাদির
- গজাহানারা ইমাম
- ঘমুশতারি শফী
সঠিক উত্তর: ক. আবুল ফজল
দুর্দিনের দিনলিপি আবুল ফজলের লেখা, ১৯৭২ সালে প্রকাশিত। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস তিনি যে দিনলিপি রেখেছিলেন, এটি তারই গ্রন্থরূপ।
আবুল ফজল প্রাবন্ধিক ও কথাসাহিত্যিক; পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হন। তাঁর অন্য বই চৌচির, রাঙা প্রভাত, রেখাচিত্র ও মাটির পৃথিবী।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগ্রন্থের প্রশ্নে বই আর লেখক একসঙ্গে মনে রাখুন। জাহানারা ইমামের বই একাত্তরের দিনগুলি, মুশতারী শফীর বই স্বাধীনতা আমার রক্তঝরা দিন।
ফাঁদ জাহানারা ইমাম, কারণ তাঁর বইও দিনলিপি ধাঁচের। কিন্তু দুর্দিনের দিনলিপি নামটি আবুল ফজলের।
মনে রাখুন: দুর্দিনের দিনলিপি আবুল ফজল, একাত্তরের দিনগুলি জাহানারা ইমাম।
৩৩৯. কোন শাসকের অনুশাসনের সময় এ উপমহাদেশে আর্যভাষার প্রাচীনতম বর্ণমালার সন্ধান পাওয়া যায়? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- কসম্রাট জাহাঙ্গীর
- খসম্রাট অশোক
- গসম্রাট আকবর
- ঘসম্রাট বাবর
সঠিক উত্তর: খ. সম্রাট অশোক
প্রশ্নটা বাংলা লিপির উৎস নিয়ে। এই উপমহাদেশে আর্যভাষার সবচেয়ে প্রাচীন বর্ণমালার নিদর্শন পাওয়া যায় সম্রাট অশোকের অনুশাসনে, খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকে।
অশোক পাথর ও স্তম্ভে যে অনুশাসন খোদাই করান, তার বেশিরভাগ লেখা ব্রাহ্মী লিপিতে; উত্তর-পশ্চিমের কিছু লেখায় খরোষ্ঠী লিপি।
এই ব্রাহ্মী লিপি থেকেই পরে কুটিল লিপি হয়ে বাংলা লিপির উদ্ভব। তাই বাংলা বর্ণমালার আদি উৎস ব্রাহ্মী।
জাহাঙ্গীর, আকবর, বাবর মুঘল সম্রাট, অশোকের প্রায় ১৮০০ বছর পরের। প্রাচীনতম শব্দটি দেখলেই মৌর্য যুগের অশোককে ধরতে হবে।
মনে রাখুন: প্রাচীনতম লিপি = ব্রাহ্মী = অশোকের অনুশাসন।
৩৪০. ব্যাকরণে সার্বিক আলোচ্য বিষয় কয়টি? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- ক৬টি
- খ৪টি
- গ৩টি
- ঘ২টি
সঠিক উত্তর: খ. ৪টি
প্রশ্নটা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়ের সংখ্যা নিয়ে। সব ভাষার ব্যাকরণে প্রধানত চারটি বিষয় আলোচিত হয়: ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম, আর অর্থতত্ত্ব।
ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনি, বর্ণ, সন্ধি; শব্দতত্ত্বে শব্দ গঠন, প্রত্যয়, সমাস, বিভক্তি; বাক্যতত্ত্বে বাক্যের গঠন ও পদের ক্রম; আর অর্থতত্ত্বে শব্দ ও বাক্যের অর্থ আলোচিত হয়।
এর বাইরে অভিধানতত্ত্ব, ছন্দ ও অলংকারও কখনো ব্যাকরণে আলোচিত হয়। এগুলো যোগ করে কেউ কেউ ছয়টি গোনেন, কিন্তু মূল বা সার্বিক আলোচ্য বিষয় চারটি।
ফাঁদ হলো ছয়টি: অতিরিক্ত বিষয়গুলো জুড়ে নিলে এই সংখ্যা আসে, অথচ প্রশ্ন সার্বিক বা প্রধান বিষয় জানতে চেয়েছে।
মনে রাখুন: ধ্বনি থেকে শব্দ, শব্দ থেকে বাক্য, বাক্য থেকে অর্থ: চার ধাপ।