বাংলা ভাষা ও সাহিত্য · পাতা ১১
২০১. সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য কোন পদে বেশি? (জনতা ব্যাংক: অফিসার, রুরাল ক্রেডিট) (২০২৩)
- কবিশেষ্য ও সর্বনাম পদে
- খক্রিয়া ও সর্বনাম পদে
- গবিশেষ্য ও ক্রিয়া পদে
- ঘবিশেষ্য ও বিশেষণ পদে
সঠিক উত্তর: খ. ক্রিয়া ও সর্বনাম পদে
প্রশ্নটা সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য নিয়ে। দুই রীতির মূল পার্থক্য দেখা যায় ক্রিয়া ও সর্বনাম পদে।
ক্রিয়াপদে: সাধুতে করিয়াছিলাম, চলিতে করেছিলাম; সাধুতে যাইতেছি, চলিতে যাচ্ছি। সর্বনাম পদে: সাধুতে তাহারা, যাহা, উহা, চলিতে তারা, যা, ও।
বিশেষ্য ও বিশেষণে পার্থক্য কম। সেখানে মূলত তৎসম আর তদ্ভব শব্দের পছন্দে কিছু পার্থক্য দেখা যায়, যেমন সাধুতে মস্তক, চলিতে মাথা, কিন্তু অনেক শব্দ দুই রীতিতে একই।
ফাঁদ হলো বিশেষ্য ও ক্রিয়া: ক্রিয়া ঠিক আছে, কিন্তু সঙ্গী সর্বনামের বদলে বিশেষ্য দেওয়া হয়েছে। জোড়াটা মনে রাখুন: ক্রিয়া আর সর্বনাম।
মনে রাখুন: সাধু-চলিতের প্রশ্নে জোড়া মুখস্থ: ক্রিয়া আর সর্বনাম।
২০২. Which one of the following books is written by Syed Mujtaba Ali? (জনতা ব্যাংক: অফিসার, রুরাল ক্রেডিট) (২০২৩)
- কChacha Kahini
- খBadhon Hara
- গDeshe Bideshe
- ঘa & c
সঠিক উত্তর: ঘ. a & c
সৈয়দ মুজতবা আলী রম্যরচনা ও ভ্রমণকাহিনির জন্য বিখ্যাত। চাচা কাহিনী তাঁর রম্য গল্পগ্রন্থ, আর দেশে বিদেশে তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি, যেখানে আফগানিস্তানের কাবুলে থাকার অভিজ্ঞতা লিখেছেন।
বাঁধন হারা উপন্যাসটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা, পত্রোপন্যাস আকারে। তাই এটি মুজতবা আলীর নয়।
যেহেতু প্রথম ও তৃতীয় দুটিই মুজতবা আলীর, তাই সঠিক উত্তর হলো ক ও গ দুটিই। সম্মিলিত অপশন থাকলে একটি ঠিক পেয়েই থেমে যাবেন না, বাকিগুলোও যাচাই করুন।
মুজতবা আলীর আরও কিছু বই প্রায়ই আসে: শবনম, পঞ্চতন্ত্র, ময়ূরকণ্ঠী, জলে ডাঙ্গায়।
মনে রাখুন: সম্মিলিত অপশন (ক ও গ) থাকলে প্রতিটি অপশন আলাদা যাচাই করুন; দুটি ঠিক হলে সম্মিলিত অপশনই উত্তর।
২০৩. কোন শাসকের অনুশাসনের সময় এ উপমহাদেশে আর্যভাষার প্রাচীনতম বর্ণমালার সন্ধান পাওয়া যায়? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- কসম্রাট জাহাঙ্গীর
- খসম্রাট অশোক
- গসম্রাট আকবর
- ঘসম্রাট বাবর
সঠিক উত্তর: খ. সম্রাট অশোক
প্রশ্নটা বাংলা লিপির উৎস নিয়ে। এই উপমহাদেশে আর্যভাষার সবচেয়ে প্রাচীন বর্ণমালার নিদর্শন পাওয়া যায় সম্রাট অশোকের অনুশাসনে, খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকে।
অশোক পাথর ও স্তম্ভে যে অনুশাসন খোদাই করান, তার বেশিরভাগ লেখা ব্রাহ্মী লিপিতে; উত্তর-পশ্চিমের কিছু লেখায় খরোষ্ঠী লিপি।
এই ব্রাহ্মী লিপি থেকেই পরে কুটিল লিপি হয়ে বাংলা লিপির উদ্ভব। তাই বাংলা বর্ণমালার আদি উৎস ব্রাহ্মী।
জাহাঙ্গীর, আকবর, বাবর মুঘল সম্রাট, অশোকের প্রায় ১৮০০ বছর পরের। প্রাচীনতম শব্দটি দেখলেই মৌর্য যুগের অশোককে ধরতে হবে।
মনে রাখুন: প্রাচীনতম লিপি = ব্রাহ্মী = অশোকের অনুশাসন।
২০৪. ব্যাকরণে সার্বিক আলোচ্য বিষয় কয়টি? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- ক৬টি
- খ৪টি
- গ৩টি
- ঘ২টি
সঠিক উত্তর: খ. ৪টি
প্রশ্নটা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়ের সংখ্যা নিয়ে। সব ভাষার ব্যাকরণে প্রধানত চারটি বিষয় আলোচিত হয়: ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম, আর অর্থতত্ত্ব।
ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনি, বর্ণ, সন্ধি; শব্দতত্ত্বে শব্দ গঠন, প্রত্যয়, সমাস, বিভক্তি; বাক্যতত্ত্বে বাক্যের গঠন ও পদের ক্রম; আর অর্থতত্ত্বে শব্দ ও বাক্যের অর্থ আলোচিত হয়।
এর বাইরে অভিধানতত্ত্ব, ছন্দ ও অলংকারও কখনো ব্যাকরণে আলোচিত হয়। এগুলো যোগ করে কেউ কেউ ছয়টি গোনেন, কিন্তু মূল বা সার্বিক আলোচ্য বিষয় চারটি।
ফাঁদ হলো ছয়টি: অতিরিক্ত বিষয়গুলো জুড়ে নিলে এই সংখ্যা আসে, অথচ প্রশ্ন সার্বিক বা প্রধান বিষয় জানতে চেয়েছে।
মনে রাখুন: ধ্বনি থেকে শব্দ, শব্দ থেকে বাক্য, বাক্য থেকে অর্থ: চার ধাপ।
২০৫. নীচের কোন ব্যাকরণ ভাষার ধ্বনিগত মাধুর্য স্থাপন ও সম্পাদন করে? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- কসমাস
- খকারক
- গসন্ধি
- ঘধ্বনি
সঠিক উত্তর: গ. সন্ধি
পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। সন্ধির মূল উদ্দেশ্য উচ্চারণ সহজ করা আর ভাষায় ধ্বনিগত মাধুর্য আনা।
যেমন হিম আর আলয় আলাদা উচ্চারণের চেয়ে মিলে হিমালয় অনেক সহজ ও শ্রুতিমধুর। বিদ্যা আর আলয় মিলে বিদ্যালয়।
সমাস অর্থের দিক থেকে একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করে, এতে ভাষা সংক্ষিপ্ত হয়। কারক ক্রিয়ার সঙ্গে পদের সম্পর্ক দেখায়। আর ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক, নিজে কোনো প্রক্রিয়া নয়।
সমাসেও শব্দ মেলে বলে অনেকে গুলিয়ে ফেলেন; মনে রাখুন, সন্ধি ধ্বনির মিলন, সমাস পদের মিলন।
মনে রাখুন: সন্ধিতে মাধুর্য, সমাসে সংক্ষেপ। আরও উদাহরণ: বিদ্যালয়, নরেশ, সূর্যোদয়।
২০৬. নীচের কোন বানানটি শুদ্ধ? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- কবিভিষীকা
- খদুরাবস্থা
- গমুহুর্মুহু
- ঘধস
সঠিক উত্তর: গ. মুহুর্মুহু
প্রশ্নটা শুদ্ধ বানান নিয়ে। মুহুর্মুহু শব্দটি এসেছে মুহুঃ আর মুহুঃ মিলে, বিসর্গ সন্ধিতে বিসর্গ র হয়ে রেফ হয়েছে। দুই জায়গাতেই হ্রস্ব উ-কার, তাই মুহুর্মুহু শুদ্ধ।
বিভীষিকা তৎসম শব্দ, এতে ভ এর পরে দীর্ঘ ঈ-কার আর ষ। তাই বিভিষীকা অশুদ্ধ। দুরবস্থা এসেছে দুঃ আর অবস্থা মিলে, তাই দুরাবস্থা অশুদ্ধ, শুদ্ধ রূপ দুরবস্থা।
ধস বানানটিও বাংলা একাডেমির অভিধান অনুযায়ী শুদ্ধ, ধ্বস লেখা ভুল। তাই এখানে আসলে দুটি অপশনই শুদ্ধ; প্রশ্নকর্তা সম্ভবত ধস-কে ভুল বানান ভেবেছিলেন, তাই প্রচলিত উত্তর মুহুর্মুহু।
সাধারণ ভুল হলো মুহূর্ত শব্দের দীর্ঘ ঊ-কার মুহুর্মুহুতে বসিয়ে দেওয়া; দুটো আলাদা শব্দ।
মনে রাখুন: উপসর্গ দুঃ এর পরে অ থাকলে আ-কার আসে না: দুরবস্থা, দুরতিক্রম্য।
২০৭. 'কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলে'- বাক্যটিতে কোন কারকে কোন বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- ককরণে ৭মী
- খকর্মে শূন্য
- গকরণে ষষ্ঠী
- ঘঅপাদানে ৩য়া
সঠিক উত্তর: ক. করণে ৭মী
কারক নির্ণয়ে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করতে হয়। এখানে প্রশ্ন: কী দিয়ে কপোল ভেসে গেল? উত্তর: নয়নের জলে। যা দিয়ে বা যার সাহায্যে কাজ হয়, তা করণ কারক।
জল শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে জলে হয়েছে। এ, য়, তে বিভক্তিগুলো সপ্তমী বিভক্তি। তাই জলে হলো করণে সপ্তমী।
নয়নের শব্দে এর বিভক্তি আছে, তা ষষ্ঠী, কিন্তু সেটি সম্বন্ধ পদ; জলের সঙ্গে সম্পর্ক বোঝায়, ক্রিয়ার সঙ্গে নয়। তাই করণে ষষ্ঠী ভুল। আর অপাদানে তৃতীয়া হতে হলে দ্বারা বা দিয়ে জাতীয় চিহ্ন আর বিচ্যুতির ভাব লাগত, বাক্যে তা নেই।
ফাঁদ হলো নয়নের দেখে ষষ্ঠী ধরে নেওয়া। আরেকটি সতর্কতা: আগের কিছু পরীক্ষায় একই বাক্যে শুধু কপোল শব্দটি দাগিয়ে প্রশ্ন এসেছিল, তখন গাইডে উত্তর ধরা হয়েছে কর্মে শূন্য। তাই প্রশ্নে কোন পদ দাগানো, তা আগে দেখে নিন।
মনে রাখুন: এ, য়, তে বিভক্তি দেখলে সপ্তমী; কী দিয়ে প্রশ্নের উত্তর হলে করণ।
২০৮. পৃথিবীতে কয়টি জাত মহাকাব্য আছে? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- ক২টি
- খ৩টি
- গ৫টি
- ঘ৪টি
সঠিক উত্তর: ঘ. ৪টি
মহাকাব্য দুই ধরনের: জাত মহাকাব্য আর সাহিত্যিক মহাকাব্য। যে মহাকাব্য লোকমুখে দীর্ঘকাল ধরে গড়ে উঠেছে, তাকে জাত মহাকাব্য বা Epic of Growth বলে।
পৃথিবীতে এমন জাত মহাকাব্য চারটি: হোমারের ইলিয়াড ও ওডিসি, বাল্মীকির রামায়ণ, আর ব্যাসদেবের মহাভারত।
যে মহাকাব্য একজন কবি পরিকল্পিতভাবে লেখেন, তা সাহিত্যিক মহাকাব্য বা Epic of Art, যেমন মিল্টনের প্যারাডাইস লস্ট বা মধুসূদনের মেঘনাদবধ কাব্য।
হোমারের দুটো কাব্যকে একটি গুনে বা রামায়ণ-মহাভারত দুটি গুনে অনেকে ভুল সংখ্যা বলেন; গ্রিকের দুই আর ভারতের দুই মিলে চার।
মনে রাখুন: গ্রিসের দুই (হোমার) আর ভারতের দুই (বাল্মীকি, ব্যাস) = চার।
২০৯. নীচের কোন সাহিত্যে প্রাচীন হিন্দু ও আগত মুসলিম সংস্কৃতির চমৎকার মিথস্ক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- কনাথসাহিত্য
- খশায়ের
- গমৈমনসিংহ গীতিকা
- ঘমার্সিয়া সাহিত্য
সঠিক উত্তর: খ. শায়ের
প্রশ্নটা মধ্যযুগের এমন সাহিত্য খোঁজে, যেখানে প্রাচীন হিন্দু ঐতিহ্য আর বাইরে থেকে আসা মুসলিম সংস্কৃতি মিশে গেছে। পুঁথি সাহিত্যের কবিদের বলা হতো শায়ের, আরবি শব্দ, মানে কবি।
শায়েরদের রচনায় বাংলার সঙ্গে আরবি, ফারসি, হিন্দুস্তানি শব্দ মিশে দোভাষী ভাষা তৈরি হয়। কাহিনিতেও মিশ্রণ: সত্যপীরের পাঁচালির মতো রচনায় মুসলিম পীর-ফকিরের সঙ্গে হিন্দু দেবদেবীর বিরোধ আর পরে বন্ধুত্ব দেখা যায়।
নাথসাহিত্য শিব ও নাথযোগীদের ধর্মমত নিয়ে, মুসলিম আগমনের আগের ধারা। মর্সিয়া সাহিত্য কারবালার বিয়োগান্ত কাহিনি নিয়ে শোককাব্য, যা মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক।
মৈমনসিংহ গীতিকাও অসাম্প্রদায়িক লোকগাথা, তাই এটি জোরালো বিকল্প; তবে এর মূল বৈশিষ্ট্য গ্রামীণ প্রেম ও মানবিকতা, সংস্কৃতির মিশ্রণ নয়।
মনে রাখুন: আরবি-ফারসি মেশানো বাংলা আর পীর-দেবতার মিলন মানেই শায়ের বা দোভাষী পুঁথি।
২১০. নীচের কোনটি উপন্যাস? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- ককাকজ্যোৎস্না
- খকোকিলারা
- গএখন দুঃসময়
- ঘপ্রথম যৌবন
সঠিক উত্তর: ক. কাকজ্যোৎস্না
প্রশ্নটা সাহিত্যকর্মের ধরন চেনার। কাকজ্যোৎস্না কল্লোল যুগের লেখক অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের উপন্যাস।
উপন্যাসটির কেন্দ্রে নমিতা নামের এক বিধবা নারী; তৎকালীন সমাজে বিধবাদের প্রতি কঠোর আচরণ আর তার বিরুদ্ধে তার বদলে যাওয়া দৃষ্টিভঙ্গি এর বিষয়।
অচিন্ত্যকুমার কল্লোল পত্রিকাকে ঘিরে গড়ে ওঠা আধুনিক লেখকগোষ্ঠীর অন্যতম, আর কল্লোল যুগ নামে স্মৃতিকথাও লিখেছেন। তাঁর আরেক বিখ্যাত রচনা পরমপুরুষ শ্রীরামকৃষ্ণ।
এ ধরনের প্রশ্নে কাব্যধর্মী নাম দেখে কবিতা ভেবে নেওয়া সহজ; কাকজ্যোৎস্না নামটা কাব্যিক হলেও এটি উপন্যাস।
মনে রাখুন: অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত: কাকজ্যোৎস্না (উপন্যাস), কল্লোল যুগ (স্মৃতিকথা)।
২১১. মেঘ বলে চৈত্রে যাবো - কি জাতীয় রচনা? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- কউপন্যাস
- খনাটক
- গসম্পাদনা
- ঘকাব্যগ্রন্থ
সঠিক উত্তর: ঘ. কাব্যগ্রন্থ
প্রশ্নটা একটি গ্রন্থের ধরন জানতে চায়। মেঘ বলে চৈত্রে যাবো একটি কাব্যগ্রন্থ, মানে কবিতার সংকলন।
এ ধরনের প্রশ্নে চারটি ধরন আলাদা করে চিনতে হয়: উপন্যাস দীর্ঘ গদ্যকাহিনি, নাটক মঞ্চে অভিনয়ের জন্য সংলাপভিত্তিক রচনা, সম্পাদনা মানে অন্যের লেখা সংকলন করে প্রকাশ, আর কাব্যগ্রন্থ হলো কবিতার বই।
নামটি লক্ষ করুন: হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস মেঘ বলেছে যাব যাব, আর রবীন্দ্রনাথের গান মেঘ বলেছে যাব যাব। মিল থাকলেও এরা আলাদা রচনা।
এই নামের মিলই ফাঁদ: হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের কথা মনে করে অনেকে উপন্যাস বেছে নেন।
মনে রাখুন: নাম মিললেও রচনা আলাদা: মেঘ বলেছে যাব যাব উপন্যাস, মেঘ বলে চৈত্রে যাবো কাব্যগ্রন্থ।
২১২. ”ধূসরতার কবি” নামে কে পরিচিত? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- কনীলিমা ইব্রাহিম
- খকাজী নজরুল ইসলাম
- গকামিনী রায়
- ঘজীবনানন্দ দাশ
সঠিক উত্তর: ঘ. জীবনানন্দ দাশ
প্রশ্নটা কবিদের উপাধি নিয়ে। জীবনানন্দ দাশকে ধূসরতার কবি বলা হয়, কারণ তাঁর কবিতায় ধূসর, ম্লান, বিষণ্ণ রং আর ক্লান্ত সময়ের ছবি বারবার আসে।
তাঁর আরও কিছু উপাধি: রূপসী বাংলার কবি, নির্জনতার কবি, তিমির হননের কবি। বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, রূপসী বাংলা।
তাঁর একটি কাব্যগ্রন্থের নামই ধূসর পাণ্ডুলিপি, এটাই উপাধিটা মনে রাখার সহজ সূত্র।
কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি, কামিনী রায় উনিশ শতকের নারী কবি, তাঁর পরিচিত কাব্যগ্রন্থ আলো ও ছায়া, আর নীলিমা ইব্রাহিম মূলত শিক্ষাবিদ ও গদ্যলেখক।
মনে রাখুন: ধূসর পাণ্ডুলিপি থেকে ধূসরতার কবি: জীবনানন্দ।
২১৩. নিচের কোনটি 'সূর্য' এর প্রতিশব্দ? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- কঅবনী
- খসবিতা
- গসুধাকর
- ঘকলানিধি
সঠিক উত্তর: খ. সবিতা
প্রশ্নটা প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ নিয়ে। সূর্যের তৎসম প্রতিশব্দের তালিকায় আছে সবিতা, ভানু, রবি, দিবাকর, দিনমণি, অর্ক, আদিত্য, মার্তণ্ড, তপন ইত্যাদি।
সবিতা শব্দটি সংস্কৃত সবিতৃ থেকে এসেছে, যার অর্থ যিনি জগৎকে প্রসব করেন বা জাগিয়ে তোলেন। বৈদিক সাহিত্যে সবিতা সূর্যদেবের একটি নাম, তাই এটি সূর্যের প্রতিশব্দ।
বাকি তিনটি শব্দ অন্য জিনিস বোঝায়। অবনী মানে পৃথিবী। সুধাকর আর কলানিধি দুটোই চাঁদের প্রতিশব্দ: সুধা অর্থাৎ অমৃতের আকর, আর কলা অর্থাৎ চাঁদের ষোলো কলার আধার।
এখানে ফাঁদ হলো আকাশের জ্যোতিষ্ক বলে সুধাকর বা কলানিধিকে সূর্য ভেবে নেওয়া। শব্দের শেষে কর বা নিধি থাকলেই সূর্য নয়; কী তার আকর, সেটা দেখতে হয়।
মনে রাখুন: সূর্যের নামে প্রায়ই কর (দিবাকর, প্রভাকর), পতি (দিনপতি) বা মণি (দিনমণি) থাকে দিনের বা আলোর সঙ্গে; চাঁদের নামে থাকে সুধা, নিশা বা হিম (সুধাকর, নিশাকর, হিমাংশু)।
২১৪. কোন দেশেতে তরুলতা, সকল দেশের চাইতে শ্যামল’- 'চাইতে' ক্রিয়াটির ব্যবহার কোন ধরণের? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- কঅনন্বয়ী অব্যয়
- খক্রিয়াবাচক বিশেষণ
- গবিশেষণ বাচকতা
- ঘঅনুসর্গ তৈরী
সঠিক উত্তর: ঘ. অনুসর্গ তৈরী
প্রশ্নটা অনুসর্গ নিয়ে। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের পঙ্ক্তি “কোন দেশেতে তরুলতা, সকল দেশের চাইতে শ্যামল”-এ “চাইতে” আসলে কোনো কাজ বোঝাচ্ছে না, বোঝাচ্ছে তুলনা।
চাইতে শব্দটি এসেছে চাওয়া ক্রিয়ার অসমাপিকা রূপ থেকে। কিন্তু এখানে কেউ কিছু চাইছে না; শব্দটি “সকল দেশের” পদের পরে বসে “অপেক্ষা” অর্থ দিচ্ছে। এভাবে ক্রিয়া থেকে জাত শব্দ যখন বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে, তখন তাকে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ বলে।
একই রকম ক্রিয়াজাত অনুসর্গ: দিয়ে, থেকে, হতে, চেয়ে, করে। যেমন “ছুরি দিয়ে কাটা”, “বাড়ি থেকে আসা”, “তোমার চেয়ে বড়”। তাই চাইতে-র ব্যবহার অনুসর্গ তৈরি।
ক্রিয়াবাচক বিশেষণ বা বিশেষণ ভাবাপন্ন ধরলে ভুল হবে, কারণ চাইতে কোনো বিশেষ্যের গুণ বলছে না। আর অনন্বয়ী অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখে না, অথচ চাইতে সরাসরি “সকল দেশের”-এর সঙ্গে যুক্ত।
মনে রাখুন: তুলনা বোঝাতে চেয়ে বা চাইতে বসলেই ক্রিয়াজাত অনুসর্গ: আমার চেয়ে, তোমার চাইতে, সবার চেয়ে।
২১৫. ‘ছেলেটি গোল্লায় গেছে।’ এ বাক্যের ক্রিয়াপদ কোনটি? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- কমিশ্র ক্রিয়া
- খযৌগিক ক্রিয়া
- গদ্বিকর্মক ক্রিয়া
- ঘপ্রযোজক ক্রিয়া
সঠিক উত্তর: ক. মিশ্র ক্রিয়া
প্রশ্নটা গঠন অনুযায়ী ক্রিয়ার প্রকার নিয়ে। বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের সঙ্গে কর্, হ্, যা, দে, পা, কাট্ ইত্যাদি ধাতু যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয়, তাকে মিশ্র বা সংযোগমূলক ক্রিয়া বলে।
“গোল্লায় গেছে” অংশে গোল্লা একটি বিশেষ্য, তার সঙ্গে যা ধাতু মিলে একটি নতুন অর্থ তৈরি করেছে: নষ্ট হয়ে যাওয়া। তাই এটি মিশ্র ক্রিয়া। একই রকম উদাহরণ: ভয় পাওয়া, দর্শন করা, ঘেউ ঘেউ করা।
যৌগিক ক্রিয়ায় থাকে একটি অসমাপিকা আর একটি সমাপিকা ক্রিয়া, যেমন “খেয়ে ফেলল”, “বেজে উঠল”। এখানে “গোল্লায়” কোনো ক্রিয়াই নয়, তাই যৌগিক ক্রিয়া হয় না।
“গোল্লায় গেছে” দুটি শব্দ মিলে ক্রিয়া হয়েছে দেখে অনেকে যৌগিক ক্রিয়া বেছে নেন; এটাই প্রধান ফাঁদ। মনে রাখবেন, প্রথম অংশটা বিশেষ্য হলে মিশ্র, অসমাপিকা ক্রিয়া হলে যৌগিক।
মনে রাখুন: প্রথম অংশ নাম-শব্দ (ভয়, গান, দর্শন, ঘেউ ঘেউ) হলে মিশ্র; প্রথম অংশ “-এ” দিয়ে শেষ হওয়া অসমাপিকা (খেয়ে, বেজে) হলে যৌগিক।
২১৬. অপরাজেয় কথাশিল্পী কার ছদ্মনাম? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- কসত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
- খবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- গশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ঘমধুসূদন দত্ত
সঠিক উত্তর: গ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখকদের একজন। তাঁর উপন্যাস ও গল্প পাঠকের মন এমনভাবে জয় করেছিল যে তাঁকে বলা হয় অপরাজেয় কথাশিল্পী।
লক্ষ করুন, এটি আসলে উপাধি বা অভিধা, ছদ্মনাম নয়। শরৎচন্দ্রের প্রকৃত ছদ্মনাম ছিল অনিলা দেবী। তবে প্রশ্নের চারটি নামের মধ্যে এই অভিধা কেবল শরৎচন্দ্রেরই।
তাঁর বিখ্যাত রচনা দেবদাস, শ্রীকান্ত, গৃহদাহ, পল্লীসমাজ ও পথের দাবী। অন্য তিনজনেরও আলাদা অভিধা আছে, যা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
বঙ্কিমচন্দ্রকে বলা হয় সাহিত্যসম্রাট, তাই কথাসাহিত্যের সঙ্গে মিলিয়ে অনেকে বঙ্কিমচন্দ্র বেছে নেন। কিন্তু অপরাজেয় কথাশিল্পী শুধুই শরৎচন্দ্র।
মনে রাখুন: কথাশিল্পী শব্দ দেখলে কথাসাহিত্য, মানে উপন্যাস-গল্প; আর অপরাজেয় মানে যাকে কেউ হারাতে পারেনি: পাঠকপ্রিয়তায় শরৎচন্দ্র।
২১৭. সৌম্য এর বিপরীত শব্দ কি? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- কউদ্ধত
- খউগ্র
- গকঠিন
- ঘশান্ত
সঠিক উত্তর: খ. উগ্র
প্রশ্নটা বিপরীত শব্দ নিয়ে। সৌম্য এসেছে সোম, মানে চাঁদ থেকে; অর্থ চাঁদের মতো স্নিগ্ধ, শান্ত ও কোমল চেহারা বা স্বভাব।
এর বিপরীত হলো এমন শব্দ যা প্রখর, কঠোর ও ভয়ংকর ভাব বোঝায়: উগ্র। সৌম্যমূর্তি আর উগ্রমূর্তি জোড়াটি তাই ব্যাকরণ বইয়ে সরাসরি বিপরীত হিসেবে আসে।
উদ্ধত মানে অহংকারী বা অবিনীত, যার বিপরীত বিনীত। কঠিন-এর বিপরীত কোমল বা সহজ। আর শান্ত তো সৌম্যের কাছাকাছি অর্থই দেয়।
এখানে ফাঁদ হলো উদ্ধত বা কঠিন; দুটোই নেতিবাচক শোনায়, কিন্তু সৌম্যের স্নিগ্ধতার সরাসরি বিপরীত উগ্রতা।
মনে রাখুন: সৌম্যমূর্তি বনাম উগ্রমূর্তি জোড়াটা মনে রাখুন।
২১৮. ‘ইংরেজি’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- কগ্রীক
- খতুর্কী
- গফারসি
- ঘপর্তুগীজ
সঠিক উত্তর: ঘ. পর্তুগীজ
প্রশ্নটা বিদেশি শব্দের উৎস নিয়ে। ইংরেজ ও ইংরেজি শব্দ সরাসরি ইংরেজি ভাষা থেকে আসেনি, এসেছে পর্তুগিজ ভাষা থেকে।
কারণ ইংরেজদের আগে পর্তুগিজ বণিকরাই বাংলার উপকূলে ব্যবসা শুরু করে। তারা ইংল্যান্ডের মানুষকে বলত Inglez, সেখান থেকে বাংলায় ইংরেজ, আর তা থেকে ইংরেজি।
পর্তুগিজ থেকে আসা আরও কিছু শব্দ: আলমারি, আনারস, চাবি, গির্জা, বালতি, পাউরুটি, পেয়ারা, বোতাম, সাবান, তোয়ালে, পাদ্রি।
ইংরেজি শব্দ দেখে অনেকে ভাবেন ইংরেজি থেকেই এসেছে, বা গ্রিক মনে করেন; কিন্তু বাংলায় শব্দটি ঢুকেছে পর্তুগিজদের মুখ থেকে।
মনে রাখুন: পর্তুগিজ শব্দের তালিকা মনে রাখতে বাক্য: “গির্জায় আলমারির চাবি দিয়ে বালতি ভরে আনারস আর পাউরুটি”।
২১৯. 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' কার লেখা? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- ককাজী নজরুল ইসলাম
- খফররুখ আহমদ
- গমুনীর চৌধুরী
- ঘজহির রায়হান
সঠিক উত্তর: ক. কাজী নজরুল ইসলাম
“রাজবন্দীর জবানবন্দী” কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ। ১৯২২ সালে ধূমকেতু পত্রিকায় “আনন্দময়ীর আগমনে” কবিতা প্রকাশের জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁকে রাজদ্রোহের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে।
বিচারের সময় ১৯২৩ সালের জানুয়ারিতে আদালতে তিনি যে লিখিত জবানবন্দি দেন, সেটাই রাজবন্দীর জবানবন্দী নামে পরিচিত। এতে তিনি নিজেকে সত্যের পক্ষের কবি বলে ঘোষণা করেন।
নজরুলের অন্য প্রবন্ধগ্রন্থ যুগবাণী, দুর্দিনের যাত্রী, রুদ্রমঙ্গল। ভেতরের যুক্তি মনে রাখলে সহজ: জেলে যাওয়া বিদ্রোহী কবিই রাজবন্দী।
মুনীর চৌধুরীর নামের সঙ্গে কারাগার জড়িত, কারণ তিনি জেলে বসে কবর নাটক লেখেন; এই মিলের কারণেই অনেকে ভুল করেন।
মনে রাখুন: রাজদ্রোহে জেল খাটা কবি নজরুল, তাই রাজবন্দী নজরুলই।
২২০. ‘সন্ধি’ ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়? (সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার, জেনারেল) (২০২৩)
- করূপতত্তে
- খধ্বনিতত্তে
- গASCE
- ঘGIST
সঠিক উত্তর: খ. ধ্বনিতত্তে
বাংলা ব্যাকরণের প্রধান আলোচ্য অংশ চারটি: ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব আর অর্থতত্ত্ব। কোন বিষয় কোথায় পড়ে, তা ঠিক হয় বিষয়টির মূল একক কী, তা দেখে।
সন্ধি মানে পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলন। যেমন বিদ্যা আর আলয় মিলে বিদ্যালয়: আ আর আ মিলে একটি আ হয়েছে। এখানে মূল কাজটা ধ্বনির পরিবর্তন, তাই সন্ধি ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য।
ধ্বনিতত্ত্বে আরও পড়ে ধ্বনির উচ্চারণ, বর্ণ, ণত্ব ও ষত্ব বিধান। অন্যদিকে সমাস, কারক, প্রত্যয়, উপসর্গ, শব্দ গঠন পড়ে রূপতত্ত্বে।
সন্ধিতে নতুন শব্দ তৈরি হয় বলে অনেকে রূপতত্ত্ব বেছে নেন; সেটাই ফাঁদ। শব্দ তৈরি হলেও পরিবর্তনটা ঘটে ধ্বনিতে, তাই উত্তর ধ্বনিতত্ত্ব।
মনে রাখুন: যা ধ্বনি বদলায় (সন্ধি, ণত্ব-ষত্ব) তা ধ্বনিতত্ত্বে; যা শব্দ জোড়ে বা ভাঙে অর্থ দিয়ে (সমাস, প্রত্যয়) তা রূপতত্ত্বে।